দলীয় পদ ছাড়লেন স্পিকার হাফিজ

0
স্পিকার হাফিজ ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য।

বাংলাদেশ প্রতিবেদক: স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ

বৃহস্পতিবার নামাজের বিরতির পর বেলা দেড়টার পর সংসদ অধিবেশন শুরু হয়; স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়।

নিরপেক্ষতার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।

তিনি বলেন, “সবার আগে বাংলাদেশ, এই হোক আমাদের মূলমন্ত্র।”

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদও ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বৃহস্পিতবার বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হয়।

সংসদ নেতা তারেক রহমানের অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দলের জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবে দলের পক্ষ থেকে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সায় দেন।

পরে সভাপতি মোশাররফ হোসেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নাম ঘোষণা করেন।

ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। তার বাবা চিকিৎসক আজহার উদ্দিন আহমেদ তৎকালীন আইনসভার সদস্য (এমএলএ) ছিলেন।

সাতবারের এমপি হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাজনীতিতে নাম লেখানোর আগে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালে যশোর সেনানিবাসে প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত থাকাকালে নিজের ব্যাটালিয়নের সৈনিকদের নিয়ে বিদ্রোহ করেন এবং যশোর সেনানিবাস মুক্ত করতে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন।

পরবর্তীতে তিনি মেজর জিয়ার নেতৃত্বাধীন ‘জেড ফোর্স’-এর অধীনে ব্রাভো কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে কামালপুর ও ধলাই বিওপি আক্রমণে বীরত্বের পরিচয় দেন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত হন।

হাফিজ উদ্দিন এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং পাটমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য পাকিস্তান ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় ছিলেন।