জয়নাল আবেদীন: রংপুর নগরীর যে সকল বাসা-বাড়ীতে ডিজিটাল মিটার অপসারণ করে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে অবিলম্বে সে সকল বাসা-বাড়ী থেকে প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পুনরায় ডিজিটাল মিটার সংযোগ দিতে হবে; প্রিপেইড মিটারের দুঃসহ বোঝা জনগণ আর বহন করতে করতে পারছে না; নতুন করে আর কোনো বাসা-বাড়ীতে শোষণ ও হয়রানীর যন্ত্র প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা চলবে না; জনগণের অভিযোগ ও অসন্তোষ আমলে নিয়ে সরকারকে এই প্রিপেইড মিটার বাতিলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে; নতুবা জনগণের এই ক্ষোভ গণবিস্ফোরণে রুপ নেবে।
রোববার মহানগরীর আদালত চত্বরে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত দাবিগুলোন উত্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে সামগ্রিক বিষয়ে আলোকপাত করেন সংগঠনের সদস্য সচিব এডভোকেট পলাশ কান্তি ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিগত ২২ জুলাই ২০২৬ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকসহ নেসকোর ৬ কর্মকর্তাকে বিবাদী করে নগরীর বাসা-বাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের কার্যক্রম অবৈধ এবং বেআইনি মর্মে ঘোষণামুলক মোকদ্দমা করেন। রোববার অত্র মোকদ্দমার শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু বিবাদীগণের বরাবরে সমন জারি না হওয়ার কারণে দিনান্তর হয়। সংবাদ সম্মেলনে আদালতের সমন জারির দায়িত্বে নিয়োজিত জারি কারকের কর্তব্য কাজে অবহেলার সমালোচনা করে জনগুরুত্বপূর্ণ মোকদ্দমায় এহেন গাফিলতির জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, বিদ্যুৎ এর দাম কমানো,বিদ্যুৎ খাতকে বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ এবং গ্রাহকদের নামে হয়রানিমুলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য আব্দুল জব্বার সরকার,এবিএম মসিউর রহমান, বিজয় প্রসাদ তপু, মাহাবুব আলম,সবুজ রায়,সানজিদা আক্তার,কনক রহমান, রেদোয়ান ফেরদৌস প্রমুখ।

