বাংলাদেশ প্রতিবেদক: ‘আমরা ইন্টারনেট বন্ধ করিনি, বন্ধ হয়ে গেছে’ কিংবা ‘স্যাটেলাইটে পানি ঢুকে ইন্টারনেট বন্ধ হয়ে গেছে’। শিক্ষার্থীদের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় দেশব্যাপী নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়ে এমন হাস্যকর কথাই বলেছিলে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী, ফ্যাসিস্ট সরকারের অন্যতম মুখপাত্র জুনাইদ আহমেদ পলক। তার মন খারাপ মানেই বিরাট আয়োজন। ।
যেন পলকের মন খারাপের মহৌষধ ছিলেন তিনি। কখনও মেজাজ হারালেই ভাগ্য খুলে যেত অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার। ফারিয়ার ফিটনেসের প্রতি নাকি বিশেষ নজর ছিল পলকের,তাই কোনভাবে মন খারাপ হলেই ডাক পড়তো ঢালিউড নায়িকার। কেবল এটাই নয় পলকের সঙ্গে সম্পর্কে জেরে নয় বছরের প্রেম এবং বাগদান ভেঙ্গে দেন নুসরাত ফারিয়া এমনটাই গুঞ্জন উঠেছে বিনোদন অঙ্গন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ভাটারা থানাধীন এনামুল হক হত্যাচেষ্টা মামলায় সেই বিতর্কিত অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে এ অভিনেত্রীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। এরপর সকাল ১০টায় কড়া নিরাপত্তায় তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন আক্তারের আদালতে তোলা হয়। কাঠগড়ায় নুসরাত ফারিয়াকে মলিন মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সারাটা সময় তিনি কাঠগড়ায় চুপচাপ ছিলেন।
এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক মো. বিল্লাল ভূইয়া তাকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে ২২ মে তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত।
এর আগে রোববার (১৮ মে) থাইল্যান্ড যাওয়ার পথে তাকে বিমানবন্দর থেকে আটক করে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৯ জুলাই ভাটারা থানাধীন এলাকায় জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন এনামুল হক। এদিন আসামিদের ছোঁড়া গুলি ভুক্তভোগীর পায়ে লাগে। পরে অজ্ঞান অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে এ বছরের ৩ মে মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ১৭ শিল্পীসহ ২৮৩ জনকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় নুসরাত ফারিয়া এজাহারনামীয় ২০৭ নম্বর আসামি। মামলায় তাকে আওয়ামী লীগের অর্থের যোগান দাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

