জয়নাল আবেদীনঃ রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়লেন ১২ জন প্রার্থী। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন, রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটিকর্পোরেশন) আসনে জাতীয় পার্টিও প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী, রংপুর-৩ (সদর ও সিটিকর্পোরেশন) আসনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদেও (মার্কসবাদী) আনোয়ার হোসেনবাবলু এবং বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী রিটা রহমান, রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে জাতীয় পার্টির (আনিসুল-হাওলাদার) প্রার্থী আব্দুস সালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ও শাহ আলম বাসার, রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী খন্দকার মুকিত আল মাহমুদ ও এবি পার্টিও প্রার্থী আব্দুল বাছেদ, রংপুর-৬(পীরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার শাহিদুল ইসলাম ও তাকিয়া জাহান চৌধুরী, শাহজামান রওশন এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মোঃ কামরুজ্জামান।
শনিবার (৩ জানুয়ারী) বিকেলে রংপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে রংপুর-৫ ও রংপুর-৬ আসনের প্রার্থীদের মনোনয় পত্র যাচাই বাছাই করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান।
এ সময় তিনি জানান, রংপুর জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে ৫৬ জনপ্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। এতে যাচাই বাছাইয়ে বৈধ প্রার্থী হন ৪৪ জন।এর মধ্যে রংপুর-১ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৮জন, রংপুর-২ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা ৫ জনের সকলেই, রংপুর-৩ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন, রংপুর-৪ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৭ জন, রংপুর-৫ আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা ১১ প্রার্থীও মধ্যে ৯ জন এবং রংপুর-৬আসনে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা ১১ প্রাথীর মধ্যে ৭ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা, আরো বলেন, টানা তিনদিন রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই বাচাই করা হলো। এ কার্যক্রমে যাদের মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আমি আশা করবো প্রার্থীরা নির্বাচনী আচারণ বিধি মেনে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।

