মুলাদী প্রতিনিধি: বরিশালের মুলাদীতে ঢাকায় নিহত ব্যবসায়ী সুমন হাওলাদারের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গত শনিবার রাতে তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। নিহত সুমন হাওলাদার (৪৩) মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের রামচর গ্রামের ফখরউদ্দিন ওরফে ফকু হাওলাদারের ছেলে। তিনি গত ১২ জানুয়ারি দুপুরে বাসা থেকে বেড়িয়ে নিখোঁজ হন। গত ১৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে মীরপুরের পল্লবী থানার একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের স্ত্রীর দাবি, দুর্বৃত্তরা মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ী সুমন হাওলাদারকে হত্যা করেছে। এঘটনায় নিহতের ভাই সাঈদ আহম্মেদ হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেছেন।
নিহতের স্ত্রী নাজমুন নাহার জানান, তার স্বামী সুমন হাওলাদার মীরপুর-১১ নম্বরে মোবাইল ফোন বিক্রি ও সার্ভিসিং এর কাজ করতেন। গত ১২ জানুয়ারি দুপুরে খাওয়ার পর পর সুমনের মোবাইল ফোনে একটি কল আসারর পর তিনি বাসা থেকে বের হন। ওই দিন বিকেলে সুমনের মোবাইল ফোন বন্ধ এবং রাতে বাসায় না ফেরায় বিভিন্নস্থানে খোঁজ শুরু করেন স্বজনেরা। পরদিন সুমনের ভাই সাঈদ আহম্মেদ পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
সাঈদ আহম্মেদ হাওলাদার বলেন, জিডির পর পুলিশ বিভিন্নস্থানে খোঁজ শুরু করেন। গত ১৬ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী প্যারেস সড়কের ডিএনসিসির একটি নির্মাণাধীন ৬ তলা ভবনের নিচে সুমনের মরদেহ পায় পুলিশ। দুর্বৃত্তরা মোবাইলে ডেকে নিয়ে সুমনকে হত্যা করে ভবনের ছাদ থেকে লাশ ফেলে দিয়ে থাকতে পারে।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আলমগীর জাহান জানান, সুমন হাওলাদারের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় র্যাবের সহায়তায় ২জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

