বাংলাদেশ প্রতিবেদক: বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন (Brent Christensen) যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নয়, বরং তারা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পক্ষে।
২৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন স্পষ্টভাবে জানান যে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো বিশেষ দলের সমর্থন করে না। বরং নির্বাচনে যে দলই জয়ী হোক না কেন, তাদের সাথেই কাজ করতে ওয়াশিংটন প্রস্তুত।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬ (আজ) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাথে বৈঠকের পর জানানো হয়েছে যে, মার্কিন প্রতিনিধি দল বর্তমান কমিশনের নির্বাচনী প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা আশা করছে, এই নির্বাচনটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য একটি ‘বেঞ্চমার্ক’ বা মানদণ্ড হয়ে থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র বারবার জোর দিয়ে বলছে যে, সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ভোটাররা যাতে ভয়ভীতিহীন পরিবেশে ভোট দিতে পারেন, সেটিই তাদের মূল চাওয়া। তারা নির্বাচনের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখবে বলেও জানিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন ইতিমধ্যে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর মতো বড় দলগুলোর নেতাদের সাথেও বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

