ক্রীড়া ডেস্কঃ অনেক জলঘোলার পর অবশেষে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সবুজ সংকেত দিল পাকিস্তান সরকার। তবে বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর মনে বিষাদ ঢেলে পিসিবি সাফ জানিয়ে দিয়েছে ১৫ ফেব্রুয়ারির সেই বহুল প্রতীক্ষিত ‘ভারত-পাকিস্তান’ হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নামবে না বাবর আজমরা।
মূলত আইসিসি ও বিসিসিআই-এর আধিপত্যের বিরুদ্ধে ‘প্রতিবাদী অবস্থান’ নিতেই এমন নাটকীয় বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি।
এই সংকটের সূত্রপাত মাঠের বাইরে। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়া এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের নিরাপত্তা শঙ্কার বিষয়টি আইসিসি ভোটাভুটিতে অগ্রাহ্য করায় ক্ষোভে ফুঁসছিল পিসিবি। আইসিসি বোর্ড সভায় বাংলাদেশের বিপক্ষে ভোট পড়েছিল ১৪টি, যেখানে কেবল পাকিস্তান ছিল বাংলাদেশের পক্ষে।
পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভি সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন, আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করেছে। সেই অবিচারের প্রতিবাদেই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি ‘টোকেন বর্জন’ হিসেবে দেখছে পাকিস্তান।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই যেখানে হাজার হাজার কোটি টাকার স্পন্সরশিপ আর সম্প্রচার স্বত্ব, সেখানে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তে মাথায় হাত আইসিসির। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসির ‘একতরফা’ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এটি পাকিস্তানের পাল্টা বড় চাল।
এখন দেখার বিষয়, আইসিসি পাকিস্তানের এই বর্জনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পয়েন্ট কেটে নেওয়া বা জরিমানার মতো কোনো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় কি না।

