ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে পরিপূর্ণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

0
ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে পরিপূর্ণ কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত

কলাপাড়া প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় গত দুই দিনের তুলনায় দ্বিগুন বেড়েছে পর্যটকের সংখ্যা। আজ সোমবার ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকে পরিপূর্ন হয়ে উঠেছে সৈকতের জিরো পয়েন্ট। আগত পর্যটকরা সৈকতের বালিয়াড়ীতে হৈই হুল্লোরের সঙ্গে আনন্দ উচ্ছাসে মেতেছেন। অনেকে সমুদ্রের ছোট বড় ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালীতে মেতেছেন। কেউবা আবার সৈকতের বেঞ্চিতে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। অনেকে আবার প্রিয়জনকে নিয়ে ছবি তুলে কিংবা ভিডিও তৈরী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। শিশু পর্যটকরা মেতেছেন বালু খেলায়। অনেকে আবার মোটরবাইক, ওয়াটারবাইক ও ঘোড়াসহ বিভিন্ন বাহনে চরে লেম্বুরবন, শুটকি পল্লী এবং গঙ্গামতিসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে দেখছেন। পর্যটকদের ভীড়ে বিক্রি বেড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। বুকিং রয়েছে শতভাগ হোটেল মোটেল। আগতদের নিরাপত্তায় তৎপর রয়েছে ট্যুরিষ্ট পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও থানা পুলিশ।

স্পীড বোট ব্যবসায়ী মো ইয়াসিন বলেন,গত দুই দিনের তুলনা, আজকে অনেক পর্যটক বেড়েছে। তাদের আগমনের দিকে তাকিয়ে আছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

ঝিনুক দোকানী মো জুয়েল ইসলাম বলেন, বিগত একমাস রমজানের কারনে কুয়াকাটায় তেমন কোন পর্যটক ছিলনা,এই দুই প্রচুর পর্যটকের আমন ঘটেছে। আমাদের বেচাকিনাও অনেক বেড়ে গেছে।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক মো,রবিউল ইসলাম বলেন, কুয়াকাটায় ঈদের ছুটিতে পর্যটক অনেক পর্যটক আসছে। তবে পর্যটন স্পটের সংযোগ সড়কগুলো জরুরিভাবে পাকা করা উচিত।বর্ষামৌসুম আসার আগেই। কুয়াকাটা বেরী বাঁধ রক্ষার ব্যবস্হা নেয়া উচিত।

হোটেল মোটেল অউনার এসোসিয়েশন সভাপতি মোঃ মোতালেব শরীফ বলেন, প্রায় হোটেলের ৭০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। আরো বুকিং হবে বলে আসা করেন।

পর্যটন টুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক মন্ডল বলেন,আমরা পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদার করেছি এবং আমরা তাদের সেবায় দিনরাত নিয়োজিত আছি।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাউছার হামিদ বলেন, আজকে কুয়াকাটায় ব্যাপক পর্যটক আসছে। ঈদের আনন্দে এখানে আরো পর্যটকের আগমন ঘটবে। উপজেলা প্রশাসন সহ পুলিশও পর্যটকদের নিরাপত্তায় প্রস্তুত রয়েছে।