শার্শা- বেনাপোল সীমান্তে চামড়া পাচাররোধে বিজিবির সতর্কতা

0
শার্শা- বেনাপোল সীমান্তে চামড়া পাচাররোধে বিজিবির সতর্কতা

বেনাপোল প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলসহ বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। কোরবানির পশুর চামড়া পাচার, চোরাচালান, মাদক ব্যবসা ও পুশইন প্রতিরোধে সীমান্তজুড়ে বাড়ানো হয়েছে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি।

যশোর ৪৯ বিজিবি ও খুলনা ২১ বিজিবির আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা।

বৃহস্প্রতিবার (২৮ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান এবং খুলনা ২১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল নাফিজ ইমতিয়াজ আহসান।

বিজিবির এই দুই কর্মকর্তা জানান, ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশে বিপুল পরিমাণ পশু কোরবানি হবে। কোরবানি শেষে পশুর চামড়া যাতে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পাচার না হতে পারে, সে জন্য সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত রয়েছেন।

তারা বলেন, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সীমান্ত সম্মেলন অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, ঈদকে সামনে রেখে শার্শা উপজেলার প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তের বেশ কয়েকটি এলাকা চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি সীমান্ত উল্লেখযোগ্য।

চামড়া ব্যবসায়ীদের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে এসব সীমান্ত এলাকায় বিজিবির পাশাপাশি পুলিশও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন যশোর ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক। ঈদকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির এমন কঠোর অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা।