কেশবপুর প্রতিনিধি : কেশবপুরে ১২ দিনে ঘটে যাওয়া মেধাবী ছাত্রীসহ ৪ টি আত্মহত্যার ৩ টিই প্রেমঘটিত ও অপরটি পরকীয়ার কারণে ঘটেছে বলে তথ্য অনুসন্ধানে এই ধরনের ঘটনা বেরিয়ে এসেছে।
মূলত প্রেমের ঘটনার সূত্র ধরেই পিতা মাতার সাথেই ঝগড়া আর সেই ঝগড়ার জের ধরেই পিতা মাতার উপর অভিমান করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় মেধাবী ছাত্রীসহ ৩ শিক্ষার্থী। অপার দিকে পরকীয়ার ঘটনার যে ধরে আত্মহত্যা করে এক গৃহবধূ। সমাজে লোক লজ্জা ও পরিবারের আত্মসম্মানের কথা ভেবে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে পিতা মাতার উপর অভিমানের ছাপ লাগিয়ে সমাজে এই ধরনের আত্মহত্যার অপপ্রচার চালানো হয়ে থাকে। কেশবপুরে এই ৪ আত্মহত্যার বেলায়ও তাই ঘটেছে। শুধু কেশবপুর নয়,দেশের প্রতিটা উপজেলায় প্রেম গঠিত কারণে আত্মহত্যার প্রবণতা চরম হারে বৃদ্ধি পেয়ছে ফলে , অকালে ঝরে যাচ্ছে অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ ।
অতিরিক্ত বই পড়তে নিষেধ এর ঘটনার জের ধরে পিতা-মাতার উপর অভিমান করে গত ১২ ই মে-২৬ কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের ৯ম নবম শ্রেণী মেধাবী ছাত্রী মাইসা মুরশিদা পূর্ণতা নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পূর্ণতা আত্মহত্যার এর এক সপ্তাহ না হতেই গত ২০মে একই ঘটনার জের ধরে পিতা মাতার উপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে ভালুকার বহুমুখী বিদ্যালয়ের ১০ ম শ্রেীর ছাত্র রুপম নাগ চৌধুরী। প্রেম ঘটিত কারণে পিতা মাতার উপর অভিমান করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেই একই গ্রামের সুমাইয়া ইয়াসমিন নামে এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী। অপরদিকে পরকীয়ার জের ধরে গত ১৮ই মে কেশবপুর শহরের ভাড়া বাসায় ঘরের জানালার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে উপজেলার বেগমপুর গ্রামের শারমিন।

