কুয়াকাটায় ছাত্রদল ও যুবদলের হামলার শিকার সাংবাদিক

0
কুয়াকাটায় ছাত্রদল ও যুবদলের হামলার শিকার সাংবাদিক

কলাপাড়া প্রতিবেদক: পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় দৈনিক দেশ রূপান্তরের কুয়াকাটা প্রতিনিধি সাংবাদিক কেএম বাচ্চু”কে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল এবং যুবদলের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর আহত বাচ্চু কে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।শনিবার রাত ১১ টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত হোটেলের সামনে ৫ থেকে ৬ জন তার উপরে অতর্কিত ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং বেধরক মারধর করে ।

আহত সাংবাদিকের নাম কে এম বাচ্চু। তিনি দৈনিক দেশ রূপান্তরের কুয়াকাটা প্রতিনিধি এবং কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি এবং পর্যটকদের সেবায় কাজ করে থাকেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সাংবাদিক কে এম বাচ্চুর রাত ১১টার দিকে হোটেল সৈকতের সামনে বসে এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেখানে বাইজিদের সাথে নিউজ সংক্রান্ত ব্যাপার নিয়ে ঝামেলা তৈরি করার চেষ্টা করেন, সাংবাদিক বাচ্চু এড়িয়ে যেতে চাইলে বাঈজিদের সাথে থাকা লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়।অভিযুক্তরা হলেন হারুন মুসল্লী, পৌর যুবদলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক, বাইজিদ, ৮ নং ছাত্রদলের সভাপতি, শহিদ সিকদার, ৮ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি, শহিদ সিকদার (ওরফেন পচা)পৌর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পদক এদের নেতৃত্বে আরো ৫ থেকে ৬ জন ছিলো

বাইজিদের নেতৃত্বে তাঁকে লাঠিসোঁটা নিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে স্থানীয়রা বাচ্চুকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা হাসপাতালে নিয়ে যান।

ঘটনাস্থলে থাকা অটোচালক জামাল মোল্লা জানান, আমি গাড়ি নিয়ে যখন সৈকতে সামনে আসি তখন বাচ্চু কে কিছু লোক জিজ্ঞাসা করছে আমার নিউজ করছো কেন, বাচ্চু সরে যাইতে চাইলে, সবাই মিলে তাকে হাঠাৎ মারধর শুরু করে,তখন তার ডাক চিতকারে লোকজন চলে আসলে ফেলে রেখে যায়। তখন আমরা উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এ বিষয় কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জোবায়ের আহমেদ রিয়াজ বলেন, ঘটনাটি আমি মাত্র জেনেছি যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ছাত্রদলের কেউ জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এঘটনায় কুয়াকাটা পৌর যুবদলেের সভাপতি সৈয়দ মোঃ ফারুক জানান, আমারা কুয়াকাটায় শান্ত রাজনীতি করি, এই শান্ত রাজনীতিকে যারা অসন্তু করার চেষ্টা করছে, তারা যদি যুবদলের কর্মী হয়ে থাকে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নেব।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো শামীম হাওলাদার বলেন, ঘটনার কথা শোনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।