উল্লাপাড়ায় আড়াই বছর ধরে গ্যারেজ বন্দি দু’টি এ্যাম্বুলেন্স

0
উল্লাপাড়ায় আড়াই বছর ধরে গ্যারেজ বন্দি দু’টি এ্যাম্বুলেন্স

সাহারুল হক সাচ্চু: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় প্রায় আড়াই বছর ধরে উধুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের রোগীবন্ধু দু’টি এ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজ বন্দি হয়ে আছে। এরই মধ্যে ব্যাটারীগুলো অকেজো, বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতি দেখা দিয়েছে। এলজিএসপি’র অর্থে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি কেনা এবং তিন বছর আগে উধুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদকে দেওয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স দু’টি চলেছে প্রায় ছয় মাস। এলাকার সড়ক পথের সমস্যায় এখন তা গ্যারেজ বন্দি করে রাখা হয়েছে। বিগত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের এলজিএসপি-২ প্রকল্পে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যায়ে রোগীবন্ধু নামে দু’টি এ্যাম্বুলেন্স কেনা হয়। উধুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদকে ২০১৭ সালে ১২ জানুয়ারী এ্যাম্বুলেন্স দু’টি দেওয়া হয়। সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম উধুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল প্রামানিকের কাছে চাবি হস্তান্তরের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন। উল্লাপাড়ার প্রত্যন্ত উধুনিয়া ইউনিয়ন এলাকা থেকে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগী বহনে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি সার্ভিস চালু করা হয়। উধুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি পরিচালনা এবং এর চালনায় চুক্তিভিত্তিক দু’জন চালক নিয়োগ করা হয়। এরা হলেন- মোঃ আফছার আলী ও মোঃ সেলিম রেজা। জানা গেছে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী বহনে মাত্র ছয় মাস চলেছে। এলাকার সড়ক পথের বেহাল দশার কারণে আর চালানো যায়নি। উধুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের পাশেই এ্যাম্বুলেন্স দু’টি গ্যারেজে রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে ব্যাটারীগুলো অকেজো হয়ে গেছে। এছাড়া চাকা নষ্ট হয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতি দেখা দিয়েছে। এর চালকদের একজন মোঃ আফছার আলী জানান. এটি পাওয়ার পর ছয় মাস চালানো গেছে । এ সময়ে বিভিন্ন হাসপাতালে এলাকা থেকে রোগী বহন করা হয়েছে। এরপর সড়ক পথে সমস্যার কারণে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি আর চালানো যায়নি। উধুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল প্রামানিক জানান, এ্যাম্বুলেন্সে নুন্যতম ভাড়ায় জরুরী ভিত্তিতে তার ইউনিয়ন এলাকার রোগীদেরকে উন্নত চিকিৎসায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হতো। একমাত্র সড়ক পথের সমস্যার কারণে প্রায় আড়াই বছর ধরে এভাবে গ্যারেজ বন্দি রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আরিফুজ্জামান জানান, সড়ক পথের সমস্যার কারণে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি গ্যারেজ বন্দি থাকার বিষয়ে এরই মধ্যে জেনেছেন। তিনি আশা করছেন কম সময়ের মধ্যে সড়ক পথ মেরামত ও পুনঃনির্মাণ হলে এ্যাম্বুলেন্স দু’টি আবারো চালানো যাবে।