রাণীনগরে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

0
রাণীনগরে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

রাণীনগর প্রতিনিধি : নওগাঁর রাণীনগরে “মিথ্যা” মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার পারইল বাজারে স্থানীয় লোকজন এই মানববন্ধনের আয়োজন করেন।

পারইল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তুষার আহম্মদের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,পারইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল বাশার বুলেট,অত্র ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রমান মামুন,সাংগঠনিক সম্পাদক মাজেদুর রহমান,স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম ও প্রশান্ত কুমার প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করে বলেন,গত ৭সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় পারইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ের সামনে মোজাম্মেল হক মোজা ওরফে মুঞ্জু (৭০) এর দোকানে খাবার জিনিস কিনতে যায়। এসময় মোজাম্মেল হক শিক্ষার্থীকে দোকানের ভিতরে নিয়ে জোরপূর্বক র্ধষনের চেষ্টা করে। এসময় স্থানীয় লোকজন জানতে পেরে মোজাকে আটকসহ উত্তেজিত জনতা মোজার দোকানে হামলা চালায়। পরে পুলিশ এসে মোজাকে আটক করে নিয়ে যায়। এঘটনায় শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। বক্তারা দাবি করে বলেন,ওই মামলাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে মোজার ছেলে ইউনুস আলী বাদী হয়ে গত ১৬সেপ্টেম্বর ওই শিশুর বাবাসহ ১৩জনকে নামীয় এবং আরো ৩০/৪০জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে দোকানে হামলা,ভাংচুর এবং লুটপাটের “মিথ্যে” মামলা দায়ের করেছেন। বক্তারা দায়েরকৃত মামলাকে “মিথ্যে” দাবি করে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার মোজাম্মেল হকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

মানববন্ধনে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পারইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

এব্যাপারে মামলার বাদী বৃদ্ধ মোজাম্মেল হকের ছেলে ইউনুস আলী দাবি করে বলেন,তার বাবার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে মামলা হামলা করেছে তা পুরোটায় ষড়যন্ত্রমূলক। তার বাবা এতো বৃদ্ধ বয়সে ধর্ষণ চেষ্টার মতো কাজ করতে পারেনা। তিনি বলেন,ওই শিশুর বাবার সাথে ব্যবসায়ীক লেনদেন ছিল এবং শিশুর বাবার নিকট থেকে আমার বাবা ৯০হাজার টাকা দোকানের বাঁকী টাকা পাবেন। সেই টাকা না দিতে কতিপয় লোকজনের ষড়যন্ত্রে ধর্ষণ চেষ্টার নাটোক সাজিয়ে বাবাকে ফাঁসানো হয়েছে এবং আমাদের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর,লুটপাট করা হয়েছে।এছাড়া আমার দায়েরকৃত মামলা তদন্ত করলে সঠিক প্রমানিত হবে বলে দাবি করেন ইউনুস আলী।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত র্ককর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন,আদালতে দায়েরকৃত মামলার নথি এখনো আমার থানায় আসেনি। নথি আসলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।