বাংলাদেশে কর্নিয়াজনিত কারণে প্রায় ৫ লাখ মানুষ অন্ধত্বের শিকার হন আক্রান্তদের বেশির ভাগের বয়স ১৫ বছরের নিচে

0
বাংলাদেশে কর্নিয়াজনিত কারণে প্রায় ৫ লাখ মানুষ অন্ধত্বের শিকার হন আক্রান্তদের বেশির ভাগের বয়স ১৫ বছরের নিচে

জয়নাল আবেদীন: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে কর্নিয়ার অন্ধত্ব নিরসনে কর্ণিয়া সংগ্রহ’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশেষঞ্জ বক্তারা বলেছেন বাংলাদেশে কর্নিয়াজনিত কারণে প্রায় ৫ লাখ মানুষ অন্ধত্বের শিকার হন। আক্রান্তদের বেশির ভাগের বয়স ১৫ বছরের নিচে।

এসব মানুষের দৃষ্টি ফেরাতে বিশ্বে চোখের কর্নিয়া প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা থাকলেও পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এখন পর্যন্ত দেশে ২০টি কর্নিয়া সংগ্রহ ও ১৬টি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর বিপরীতে দেশে চাহিদা রয়েছে ২৫ হাজার কর্নিয়া। রোববার দুপুরে সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি রমেক ইউনিটের আয়োজনে কর্নিয়াজনিত অন্ধত্ব দূরীকরণে কর্মশালায় জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর আগে স্বজনদের কাউন্সিলিং, কর্নিয়া সংগ্রহ, প্রতিস্থাপনসহ মরণোত্তর চক্ষুদানের মাধ্যমে দেশ থেকে কর্নিয়াজনিত কারণে অন্ধত্ব দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিশেষজ্ঞরা।

সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি রংপুর জোনের সভাপতি ও রমেক হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. রিপন সরকারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জহুরুল হক, রমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান।এছাড়াও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফজলুল হক কাসেম, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. তোসাদ্দেক হোসেন সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডা. সাইদুর রহমান খান, গণযোগাযোগ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. সালাহউদ্দিন আল আজাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অধ্যাপক ডা. আরাফাত রহমান পাভেল ও কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. শাহরিয়ার রিজভী বক্তব্য দেন।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সন্ধানীর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. নুরুল হাসান বাবু, রমেক হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মঞ্জুরুল করিম প্রিন্স, অধ্যাপক ডা. তাপস বোস, রোটারী ক্লাব ঢাকা সেন্ট্রালের সংগঠক মিজানুর রহমান ভুইয়া ও এসএম শওকত হোসেন।সন্ধানী রংপুর মেডিকেল কলেজ ইউনিটের আয়োজনে কর্মশালায় রমেক হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় আই রিকভারী ওয়েট ল্যাবের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।