চৌহালীতে মহিলালীগ সভানেত্রীর বাড়িতে লুটপাট-ভাংচুর, ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

0

মারুফা মির্জা: সিরাজগঞ্জের যমুনা বিধৌত চৌহালী উপজেলার কোদালিয়ায় মহিলা আওয়ামীলীগ এর সভানেত্রী শিরিন সুলতানার বাড়িতে পুর্ব শত্রুতার জের ধরে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুর এবং মারধরের ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামীরা হলো কোদালিয়া গ্রামের আলী আকবার, মোখলেছুর রহমান, মারুফ হোসেন, খাসকাউলিয়ার আবু তালহা, কোদালিয়ার মিনা খাতুন, ইসরাত জানান, মোঃ মাসুম, মজিবর রহমান, মোঃ আলাউদ্দিন, আলতাফ আলী, আব্দুল জলিল। শিরিন সুলতানা গতকাল বাদী হয়ে সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্টের চৌহালী আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করলে আদালত থানা পুলিশকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ১০ মার্চ বেলা ১১ টার দিকে কোদালিয়া গ্রামের উপজেলা মহিলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী শিরিন সুলতানা ও তার স্বামী রফিকুল ইসলাম বকুল সহ তার বাড়িতে না কেউ না থাকার সুবাদে গ্রামের আলী আকবার, মোখলেছুরের নেতৃত্বে উল্লেখিত আসামীরা বাড়িতে লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা চালায়। তালা ভেঙ্গে ঘরে ডুকে আসবাব পত্র ভাংচুর, দুই ভরি স্বর্ন, শাড়ী, নগদ ৫০ হাজার টাকা, ২০ মন ধান ও ৭ মন সরিষা লুট সহ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। তখন মামলার সাক্ষী এলাকার ফজলুল হক, দাউদ সরকার, নাসরিন খাতুন এগিয়ে আসলে তাদেরও মারধর করে ঐ সন্ত্রাসীরা। এরপর বাড়ি আসলে এবংকি মামলা করলে তাদেরকে হত্যা করা হবে বলেও তখন সন্ত্রাসীরা হুমকি দিয়ে বীর দর্পে চলে যায়। তখন খবর পেয়ে চৌহালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ব্যাপারে চৌহালী উপজেলা মহিলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভানেত্রী শিরিন সুলতানা জানান, নানা কারনে এলাকার প্রভাবশালী ঐ সন্ত্রাসীদের দ্বারা আমি ও আমার পরিবার দীর্ঘ দিন ধরে নির্যাতিত। এ অবস্থায় ঐ দিনের লুটপাট, মারধর ও ভাংচুরের ঘটনায় আমরা সবাই ভীতি সন্তষ্ট হয়ে পড়েছি। নিজেরা বাঁচতে আইনের আশ্রয় নিয়েছি। আশা করছি আদালত ও পুলিশ তদন্ত করে ঐ সন্ত্রাসীদের যেন কঠোর শান্তি প্রদান করে। এদিকে মামলার বিষয়ে চৌহালী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আদালত হতে মামলার নথি এখনো পাইনি। তবে আসলে তদন্ত স্বাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।