বাংলাদেশ প্রতিবেদকঃ বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র পুনর্গঠন ও দেশ গড়ার সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি এই মুহূর্তে কেবল বিএনপিরই আছে। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনগনের সহায়তায় একটি আধুনিক ও স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় তার দল।
আজ সোমবার রাজধানীর বনানী কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ খেলার মাঠে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান তার বক্তব্যে দলের মূল দর্শনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “বিএনপি সৃষ্টিলগ্ন থেকেই বিশ্বাস করে জনগণই সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। যেকোনো পরিস্থিতিতে বিএনপি জনগণকে ফেলে পালিয়ে যায়নি, বরং সবসময় সুখে-দুঃখে পাশে ছিল। দেশের মানুষ যতবার সুযোগ দিয়েছে, বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে দেশ গঠনে কাজ করেছে।”
স্বৈরাচারী শাসনামলে দেশের যে ক্ষতি হয়েছে তা পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন: “দেশ যেহেতু আমাদের, বাইরে থেকে কেউ এসে এটি গড়ে দিয়ে যাবে না। স্বৈরাচার যা ধ্বংস করে গেছে, জনগণকে সাথে নিয়ে আমরাই তা নতুন করে গড়ে তুলবো।”
তরুণ প্রজন্মের জন্য নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সারাদেশে আধুনিক প্রশিক্ষণ সেন্টার গড়ে তোলা হবে যাতে যুবসমাজ দক্ষ হয়ে দেশে ও বিদেশে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। এছাড়া সাধারণ মানুষের সহায়তায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তনের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।
ঢাকা-১৭ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে উপস্থিত সবার কাছে ভোট ও দোয়া চেয়ে তারেক রহমান বলেন, “আপনাদের রায় চাচ্ছি। শুধু এই আসনে নয়, সারাদেশে আপনাদের আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার অনুরোধ জানান। বিএনপিকে সুযোগ দিন, আমরা আপনাদের সাথে নিয়ে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করবো।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশত্যাগের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দেশনেত্রী। তিনি আমৃত্যু এদেশের মাটি ও মানুষকে আঁকড়ে ধরে ছিলেন। তার আদর্শই আমাদের পথচলার শক্তি।”

