গৌরীপুর প্রতিবেদক: ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ৩৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের পেরিত প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব বিদ্যালয় থেকে মোট ৩ হাজার ৩৭২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৬৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাশের হার ৫৮ দশমিক ২৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১৫৪ জন।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী বিদ্যালয়ভিত্তিক ফলাফল হলো— গৌরীপুর রাজেন্দ্র কিশোর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়— পাশের হার ৭৪.৪৯%, জিপিএ-৫-১৮ জন। গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়— ৮০.৪৬%, জিপিএ-৫-৩৫ জন। নূরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়— ৬৮.৪০%, জিপিএ-৫-২৪ জন। অগ্রদূত নিকেতন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়— ২১.০৫%, জিপিএ-৫,০ জন।রামগোপালপুর পি.জে.কে উচ্চ বিদ্যালয়— ৭৪.৬৫%, জিপিএ-৫,০ জন। লালখান উচ্চ বিদ্যালয়— ৪৮.৩৯%, জিপিএ-৫,০ জন। বেতান্দর উচ্চ বিদ্যালয়— ৭৫%, জিপিএ-৫ ০ জন। মাইজহাটি উচ্চ বিদ্যালয়— ৩৭.২১%, জিপিএ-৫, ০ জন। ডক্টর মোহাম্মদ রেজাউর করিম উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৪.৩৯%, জিপিএ-৫,০ জন। ১০. শাহগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ— ৩৪.৭২%, জিপিএ-৫-৬ জন। ১১. তালে হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়— ৪২.৮৬%, জিপিএ-৫-২ জন। ১২. নহাটা উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৫.১৩%, জিপিএ-৫,০ জন। ১৩. পাছার উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৯.১৪%, জিপিএ-৫-৫ জন। ১৪. গিধাঊষা হাসন আলী উচ্চ বিদ্যালয়— ৪০.৮৩%, জিপিএ-৫.০ জন। ১৫. ডৌহাখলা উচ্চ বিদ্যালয়— ৫১.১৮%, জিপিএ-৫-৩ জন। ১৬. মোজাফ্ফর আলী ফকির উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ— ৩৬%, জিপিএ-৫.=০ জন। ১৭. বারুয়ামারী উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৬.৬৭%, জিপিএ-৫-৬ জন। ১৮. চান্দের সাটিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৬.৩২%, জিপিএ-৫-৩ জন। ১৯. শালীহর হাজী আমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়— ৬৯.৫৭%, জিপিএ-৫-১ জন। ২০. গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৮.৩৩%, জিপিএ-৫-১ জন। ২১. লামাপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়— ৫২.৬৩%, জিপিএ-৫,০ জন। ২২. শ্যামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়— ৩৮%, জিপিএ-৫-৩ জন। ২৩. মনাটি উচ্চ বিদ্যালয়— ৬৫.৬৫%, জিপিএ-৫-১৫ জন। ২৪. কবুলেরনেচ্ছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়— ৭৯.৩১%, জিপিএ-৫-৩ জন। ২৫. ধুরুয়া নাজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়— ৫০.৬৩%, জিপিএ-৫-০ জন। ২৬. বানিজুজী উচ্চ বিদ্যালয়— ৭১.৮৫%, জিপিএ-৫-২ জন। ২৭. খলতবাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়— ৪৭.০৬%, জিপিএ-৫-১ জন। ২৮. লংকাকান্দা উচ্চ বিদ্যালয়— ৫৪.৭৬%, জিপিএ-৫,০ জন। ২৯. শ্যামগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়— ৮০.২০%, জিপিএ-৫-৫ জন। ৩০. মাওহা উচ্চ বিদ্যালয়— ৫১.৪৭%, জিপিএ-৫-১ জন। ৩১. ভালুকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়— ৬৭.৩৯%, জিপিএ-৫,০ জন। ৩২. বড়ভাগ উচ্চ বিদ্যালয়— ৫০.৬৮%, জিপিএ-৫-১ জন। ৩৩. ভুটিয়ারকোনা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ— ৫৪.৩৫%, জিপিএ-৫,০ জন। ৩৪. সহরবানু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়— ৪৯.২৮%, জিপিএ-৫-১ জন। ৩৫. সিধলা উচ্চ বিদ্যালয়— ৭৩.৭৭%, জিপিএ-৫-১৭ জন। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এরপর নূরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪ জন, গৌরীপুর রাজেন্দ্র কিশোর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮ জন, সিধলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭ জন এবং মনাটি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। পাশের হারের দিক থেকেও কয়েকটি বিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। এর মধ্যে শ্যামগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৮০.২০ শতাংশ, গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৮০.৪৬ শতাংশ, কমলরেনহা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৭৯.৩১ শতাংশ, বেতান্দর উচ্চ বিদ্যালয় ৭৫ শতাংশ এবং গৌরীপুর রাজেন্দ্র কিশোর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ৭৪.৪৯ শতাংশ পাশের হার অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, অগ্রদূত নিকেতন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশের হার ২১.০৫ শতাংশ, মোজাফ্ফর আলী ফকির উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৩৬ শতাংশ এবং মাইজহাটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৭.২১ শতাংশ।

