বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছেনা কাংখিত ইলিশ

0
বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়ছেনা কাংখিত ইলিশ

কলাপাড়া প্রতিনিধি : পটুয়াখালীতে জেলেদের জালে ধরা পড়ছেনা কাংখিত ইলিশ। দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে গত মধ্যরাতে ছোট ট্রলার নিয়ে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে যাওয়া বেশিরভাগ জেলে ফিরেছেন অনেক কম সংখ্যক ইলিশ নিয়ে। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন তারা।

সরেজমিনে জানাজায়, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে গত এক সপ্তাহ আগে গভীর সাগরে যাওয়া কিছু সংখ্যক জেলেরা ফিরেছেন কাংখিত ইলিশ নিয়ে। শুধু ইলিশ নয় সামুদ্রিক অন্যান্য মাছের প্রাচুর্যতাও লক্ষ করা গেছে। তাই শুক্রবার সকাল থেকে ক্রেতা বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠেছে উপজেলার বৃহৎ মৎস্য অবতরন কেন্দ্র মহিপুর ও আলীপুর। তবে দাম কমেনি ইলিশের। নিলামের মাধ্যমে ১ কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২২শ’ থেকে ২৫শ’ টাকা কেজি দরে, ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রামের ইলিশ ১৫শ’ থেকে ১৭শ’ টাকা, ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রামের ইলিশ ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকা এবং জাটকা ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫শ’ থেকে ৭শ’ টাকা কেজি দরে। গভীর সাগর থেকে মাছধরা সকল ট্রলার তীরে ফিরলে দাম কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

কুয়াকাটার জেলে আ রহিম বলেন,আগে আমরা এই সৈকত থেকে দক্ষিণে অদুরে খুটা জাল পাতলেই বড়বড় ইলিশ পাইতাম,এখন আর তেমন পাইনা।

আলীপুরের ট্রলার মালিক মো গফুর মিয়া বলেন, এই দুই বছর যাবৎ সাগরে তেমন মাছ পড়ছে না,তার মধ্যে বারবার আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন নিষেধাজ্ঞার পর সব ট্রলার সাগরে গেছে এখন আল্লাহ ভরসা।

মহিপুরের গাজী ফিসের সত্বাধিকারী মো মজনু গাজী বলেন, সাগরে মাছধরা নিষেধাজ্ঞায় অনেক মাছ বাড়ে কিন্তু অবৈধ ট্রলিং মাছ ধরার চেয়ে নষ্ট করে ফেলে বেশি।এব্যাোরে সরকারের শুভদৃষ্টি কামনা করি।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মোঃ জহিরুন্নবী বলেন, আগের তুলনায় অনেক ট্রলার বেড়ে যাওয়ায় সমুদ্র কিনারে এখন মাছ কম পড়ে। তবে গভীর সমুদ্রে ঝাঁকঝাঁকে বড় ইলিশ জেলেদের জালে ধরা পড়বে বলে তিনি আশা করেন।

উল্লেখ্য, ইলিশের বাঁধাহীন প্রজননের জন্য ০৮ অক্টোবর থেকে ২৯ পর্যন্ত সাগর ও নদীতে সব ধরনের মাছ ধরার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো সরকার।