মানিকগঞ্জের ৩ টি আসনে ২৭ জনের মনোনয়নের মধ্যে ১৮ জনের বৈধ

0
মানিকগঞ্জের ৩ টি আসনে ২৭ জনের মনোনয়নের মধ্যে ১৮ জনের বৈধ

মুহ. মিজানুর রহমান বাদলঃ মানিকগঞ্জের ৩টি আসনে ২৭ জনের মনোনয়ন জমা হলেও ১৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ষোষণা করা হয়েছে।

রবিার (৪ জানুয়ারী) দুপুরে জেলা রিটার্ণিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচাই বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদেও নাম ঘোষণা করা হয়। জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আব্দুল মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা, আবিদুর রহমান রোমানসহ নয়জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আজ রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই ঘোষণা দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার নাজমুন আরা সুলতানা।

নাজমুন আরা সুলতানা বলেন, মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে মোট ৩২ জন মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে নয়জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। তিনটি আসনে ১৮ জনের মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বাতিল ঘোষিত প্রার্থীরা আজ থেকে আগামী ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপীল করতে পারবেন।

মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর ও দৌলতপুর) আসনে জনতার দলের মোঃ শাহজাহান খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আলী ব্যাপারীর কাগজপত্র সঠিক না থাকায় তাঁদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে বিএনপির এস এ জিন্নাহ কবীর, জামায়াতে ইসলামীর ডাঃ আবু বকর সিদ্দিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ মোজাম্মেল হক তোজা, বাংলাদেশ মাইনোরিটি কমিউনিটির দিলিপ কুমার দাস, ইসলামী আন্দোলনের মোঃ খোরশেদ আলম, গন অধিকার আন্দোলনের মোঃ ইলিয়াস হোসেন ও খেলাফত মজলিসের হেদায়েত উল্লাহর।

মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর-হরিরামপুর ও সদরের ১ টি ইউনিয়ন) আসনে ঋণ খেলাপীর দায়ে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য এস এম আব্দুল মান্নান এবং কাগজপত্র সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হক মোল্লা, স্বতন্ত্র

প্রার্থী আবিদুর রহমান খান রোমানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মনোনয়পত্র বৈধ হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত, খেলাফত মজলিসের মোঃ সালাউদ্দিন ও ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলীর।

মানিকগঞ্জ -৩ (সদর-সাটুরিয়া)আসনে কাগজপত্র সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আতাউর রহমান আতা, এবি পার্টির মোঃ রফিকুল ইসলাম জনি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক হোসেন ও ড.রফিকুল ইসলাম খানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী আফরোজা খানম (রিতা), জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসাইন, জেপির আবুল বাশার বাদশা, বাংলাদেশ জাসদের মোঃ শাহজাহান আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য মফিজুল ইসলাম খান কামাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোঃ সাঈদ নূর, জাতীয় পার্টির মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ ও ইসলমী আন্দোলন বাংলাদেশের শামসুদ্দিনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে গণ্য হয়েছে।