জমি কিনে বিপাকে পুলিশ সদস্যের পরিবার, ‘মিথ্যা মামলার আসামি

0
 জমি কিনে বিপাকে পুলিশ সদস্যের পরিবার, ‘মিথ্যা মামলার আসামি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৈধ উপায়ে জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন এক পুলিশ সদস্যের পরিবার। জমির মূল্য বাবদ সমুদয় টাকা নেওয়ার পরও হয়েছেন মামলার আসামী। বৃহস্পতিবার (১লা অক্টোবর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ‘মিথ্যা মামলাথ প্রত্যহার ও প্রতারক চক্রের হাত থেকে রক্ষার দাবি জানিয়েছেন পুলিশ সদস্য রাসেল আলীর পরিবার।

পুলিশ সদস্য রাসেল আলীর মা গিনিআরা ও ভাই আসমাউল ইসলাম এ সংবাদ সম্মেলন করেন। তাদের বাড়ি শিবগঞ্জ উপজেলার রানীহাটি-সাবেক লাভাঙ্গা গ্রামে।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিবগঞ্জ উপজেলার সাবেক লাভাঙ্গা গ্রামের মিনহাজ উদ্দীনের কাছ থেকে ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে ৫ শতক জমি কেনেন গিনিআরা। গত ১০ আগস্ট ওই জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয় শিবগঞ্জ উপজেলা সাব রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে। জমির মূল্যের ১০ লাখ টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে ও বাকী ১০ লাখ টাকা নগদ পরিশোধ করা হয় মিনহাজকে। কিন্তু এর কিছুদিন পরেই মিনহাজ তাদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি রেজিস্ট্রি নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় মিনহাজকে অস্ত্র প্রদর্শন করে জোর পূর্বক জমি লিখে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় রাসেল, আসমাউলসহ ৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আসমাউল ইসলাম বলেন, সাব রেজিস্ট্রারের কাছে নিজে গিয়ে মিনহাজ জমি রেজিস্ট্রি দিয়েছেন। এবং তাকে যে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে তার সমস্ত ডকুমেন্ট ও ভিডিও রয়েছে। এরপরও শুধু হয়রানী, সামাজিকভাবে হেয় ও বিপদে ফেলতে মিনহাজ মামলা করেছে। এছাড়াও সংবাদ সম্মেলন করে আমাদের বিরুদ্ধে নানান অপপ্রচার চালাচ্ছে।

এ ব্যাপারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে মিনহাজ উদ্দীন বলেন, ‘আমি এখন এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।থ বৈধ পদ্ধতিতে জমি বিক্রির পরও কেন মামলা দায়ের করেছেন এমন প্রশ্ন শুনে তিনি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।