ইবি প্রতিনিধি: মহান বিজয় দিবসে শিক্ষার্থীদের উন্নত খাবার পরিবেশনের লক্ষ্যে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৈষম্যমুলক ফিস্ট মূল্য নির্ধারণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন। এ বৈষম্যের সমালোচনা ও নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরে একই ঘটনায় প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি বরাবর লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছে শাখা ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। ফলে ফিস্ট মূল্যে সমতা আনে প্রশাসন।
পরে বিভিন্ন হল সকল শিক্ষার্থীর জন্য ৬০ টাকা ফিস্টমূল্য নির্ধারণ করে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে ৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ে খাবার টোকেন সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহবায়ক সাহেদ আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার প্রভোস্ট কাউন্সিলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ৫ আগস্ট পরবর্তী দেশে আর কোন বৈষম্য শিক্ষার্থীরা মেনে নিবে না। আশা করি আগামীতে কোন বিষয়ে প্রশাসন এমন বৈষম্যমুলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না।’
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘যারা হলে সিট পাইনি, তারা তো এম্নিতেই বঞ্চিত। তাদের উপর আবার খাবার টোকেনে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া জুলুম। অবশেষে প্রশাসন এই বিষয়টি বুঝে সংশোধন করায় তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে প্রভোস্ট কাউন্সিল সভাপতি ও খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীন বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় না। এজন্য খাবারের টোকেনের মূল্যের এই পার্থক্য। তবে শিক্ষার্থীদের থেকে বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে দাবি উঠেছে এবং ছাত্রদল এ বিষয়ে স্মারকলিপিও দিয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য হল প্রভোস্ট ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার পর কোষাধ্যক্ষ ভর্তুকি বাড়ায়। ফলে টোকেন মূল্যের সমতা করা হয়েছে।’

