১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অগ্নিস্ফুরণ সারাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পরেছে: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক

0
১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অগ্নিস্ফুরণ সারাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পরেছে: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক

কুবি প্রতিনিধি: “১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অগ্নি স্ফুরণ সারাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পরেছে” – ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ।

তিনি অভিযোগ করেন যে, আন্দোলনে আমাদের বোনেরা ভাইদের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে দেখেছি আন্দোলনে থাকা মেয়েরা বডি সেমিং সহ অনলাইন বুলিং এর স্বীকার হয়েছেন। বিগত প্রশাসন তাঁদেরকে কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেয়নি।

তিনি বিগত প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত প্রশাসন ছিল একটি অযোগ্য, অথর্ব প্রশাসন। তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে দলীয়করণ করে একপাক্ষিকভাবে পরিচালনা করতে চেয়েছিল। কিন্তু বর্তমান প্রশাসনের সাথে সকলের সহাবস্থান রয়েছে। আমাদেরও সুযোগ ছিলো একনায়কতন্ত্র কায়েম করার কিন্তু আমরা তা চাইনি।

বিগত সরকারের দমন-পীড়ন ও নিজের ত্যাগ স্বীকার এর বিষয়ে বলতে গিয়ে মন্তব্য করেন, জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনটি ছিলো মাত্র দেড় মাসের, তবে এটি প্রকৃতপক্ষে দেড় মাসের ছিলো না। এটি শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং জনগণকে যারা সরকারের মতের বিরুদ্ধে কথা বলেছে তাঁদেরকে দমন পীড়ন চালিয়ে বাকস্বাধীনতা হরন করেছে। এভাবে তারা একনায়কতন্ত্র পরিচালনা করেছিল। আমরা সরকারবিরোধী মত পোষণ করার কারণে পুলিশের দ্বারা গুলিবিদ্ধ হয়েছি, কারাবন্দী ছিলাম কিংবা আমরা অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারিনি।

সবশেষে শিক্ষকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, অনেক শিক্ষক আছেন অনলাইনে নোংরা ভাষায় পোস্ট করেন। আপনার ইচ্ছা থাকলে রাজনীতিতে আসেন, আমরা দেখি আপনার কতটুকু মেধা আছে। আমাদের দলীয় শিক্ষার্থীদের যদি ন্যূনতম ইশারা দেই তাহলে আপনারা অপমান, অপদস্থ হবেন কিন্তু আমরা এটা চাইনা। আপনারা সবাই সম্মানিত শিক্ষক কিন্তু আপনারা হয়তো ভুলে যান আপনারা শিক্ষক আমরা আপনাদের শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীদের যেনো শিক্ষকরা কখনোই মুখোমুখি দাঁড় না করায়, এটা উচিত না।