জয়নাল আবেদীন: রংপুর সিটি বাজারে অভিযান চালাতে গিয়ে ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে পড়েছেন ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক রাখতে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ভোক্তা অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে সিটি বাজাওে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে চলাকালীন মাছ বাজারে রঙ্গীন লাইট লাগিয়ে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণার অভিযোগে এক মাছ ব্যবসায়ীকে জরিমানা করার কথা বলেন ভোক্তা কর্মকর্তারা। এ সময় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল সহ অন্য ব্যবসায়ীরা উত্তেজিত হয়ে অভিযান বন্ধ করার জন্য চাপ দেন। পরে ব্যবসায়ীদের তোপের মুখে অভিযান পরিচালনা থেকে সওে এসে মাছ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন ভোক্তা কর্মকর্তারা।
এরআগে ভোক্তা কর্মকর্তারা খেজুরের বাজাওে অভিযান চালান। এ সময় খেজুরের মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও মান সম্মত পণ্য বিক্রি না করার অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী-পরিচালক মমতাজ বেগম, রংপুর চেম্বারের পরিচালক পার্থ বোস সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রংপুর সিটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে অবগত না করেই ভোক্তা অধিদপ্তর বাজাওে অভিযান চালিয়েছে। রমজান উপলক্ষে গতকাল আমরা ব্যবসায়ীদের সাথে সভা করে বিভিন্ন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যার প্রতিপালন ব্যবসায়ীরা শুরু করেছে। এরই মধ্যেই ভোক্তা কর্মকর্তা এসে জরিমানা শুরু করেছে।
আমাদের অনুরোধে তিনি অভিযান থেকে সরে এসে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছেন।ভোক্তা অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাছ বাজাওে ব্যবসায়ীরা রঙ্গীন লাইট লাগিয়ে ভোক্তাদের সাথে প্রতারণা করে। বিগত সময় সিটি বাজাওে মাছের দোকানে অভিযান চালিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। আজও অভিযানের সময় বেশির ভাগ দোকানে রঙ্গীন আলোর লাইট পাওয়া গেছে।
অপরাধ বিবেচনায় তাদের জরিমানা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধে সর্তক করা হয়েছে। এছাড়া কিছু অসংগতির কারণে দুটি খেজুরের দোকানে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

