বেসরকারী হাসপাতালের নার্সের বিরুদ্ধে নবজাতকের পা ভাঙার অভিযোগ

0
বেসরকারী হাসপাতালের নার্সের বিরুদ্ধে নবজাতকের পা ভাঙার অভিযোগ

কলাপাড়া প্রতিবেদক: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ম্যাক্স হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারী হাসপাতালের কর্মরত এক নার্সের বিরুদ্ধে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে ফেলার অভিযোগ। গতকাল বিকালে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ওই হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের ফটো থেরাপি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটির স্বজনরা জানান, গত শনিবার উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের রেজাউলের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার কনা ওই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ভর্তি হন। ওদিন রাতেই ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমা তার অস্ত্রপাচার করেন এবং একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে তার পুত্র সন্তানের চোখে হলদে রং থাকায় ফটো থেরাপি দিতে এক নার্স থেরাপি রুমে নিয়ে যায়। সেখান নেওয়ার কিছু সময় পরেই নবজাতকটি উচ্চস্বরে কান্না শুরু করে। এরপরে তারা এক্সরে করে জানতে পারেন নবজাতকটির পা ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে। হাসপাতালটির ওই নার্সের অবহেলায় বাচ্চাটির পা ভেঙেছে বলে অভিযোগ করেন রেজাউল-জান্নাতি দম্পত্তি। তবে তারা নার্সের নাম বলতে পারেননি।

ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানার অংশীদার মো নাহিদ জানান, নবজাতকের পা ঠিক কিভাবে ভেঙেছে সেটি নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে আহত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা হবে।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তেনমং বলেন, এবিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।কলাপাড়ায় বেসরকারী হাসপাতালের নার্সের বিরুদ্ধে নবজাতকের পা ভাঙার অভিযোগ

এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ম্যাক্স হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারী হাসপাতালের কর্মরত এক নার্সের বিরুদ্ধে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে ফেলার অভিযোগ। গতকাল বিকালে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ওই হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের ফটো থেরাপি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

শিশুটির স্বজনরা জানান, গত শনিবার উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের রেজাউলের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার কনা ওই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ভর্তি হন। ওদিন রাতেই ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমা তার অস্ত্রপাচার করেন এবং একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। গতকাল মঙ্গলবার সকালে তার পুত্র সন্তানের চোখে হলদে রং থাকায় ফটো থেরাপি দিতে এক নার্স থেরাপি রুমে নিয়ে যায়। সেখান নেওয়ার কিছু সময় পরেই নবজাতকটি উচ্চস্বরে কান্না শুরু করে। এরপরে তারা এক্সরে করে জানতে পারেন নবজাতকটির পা ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে। হাসপাতালটির ওই নার্সের অবহেলায় বাচ্চাটির পা ভেঙেছে বলে অভিযোগ করেন রেজাউল-জান্নাতি দম্পত্তি। তবে তারা নার্সের নাম বলতে পারেননি।

ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানার অংশীদার মো নাহিদ জানান, নবজাতকের পা ঠিক কিভাবে ভেঙেছে সেটি নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে আহত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা হবে।

কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তেনমং বলেন, এবিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।