অতুল পাল:পটুয়াখালীর বাউফলে বহুল আলোচিত যুবলীগ কর্মী তাপস হত্যার ঘটনায় বাউফলের পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চীফ জুডিশীয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল আমিন। আজ রবিবার আদালত ওই আদাশে দেন।
এরআগে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) কর্তৃক আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন না মঞ্জুর করেন আদালত। মামলায় অনুপস্থিত অন্যান্যদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্র পক্ষের এ্যাডভোকেট মো. রিপন খাঁন জানান, ২০২০ সালের ২৪ মে দুপুরের দিকে বাউফল থানা সংলগ্ন ডাকবাংলোর মোরে একটি তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে বাউফল পৌর মেয়র সমর্থকদের চাকুর কোপে নিহত হয় কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সদস্য তাপস কুমার দাস(২৯)। ওই ঘটনায় নিহত তাপসের বড় ভাই পঙ্কজ দাস বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলকে প্রধান আসামি করে ৩৫জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পটুয়াখালী পিবিআইকে নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ২৯ জুলাই মামলার প্রধান আসামি পৗর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল ও দাসপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এম.এন. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ১৬ জন আসামিকে বাদ দিয়ে পিবিআই’র পরিদর্শক আবদুল মতিন খাঁন আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন। আজ রবিবার বাদি পক্ষ ওই প্রতিবেদনের উপর অনাস্থা আবেদন করলে আদালত পিবিআই’র প্রতিবেদন না মঞ্জুর করে মূল এজাহারে বর্ণিত ধারায় মামলা আমলে নেন। এসময় অনুপস্থিত প্রধান আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন বিজ্ঞ আদালত। মামলার বাদি নিহত তাপসের বড় ভাই পঙ্কজ দাস বলেন, কালো টাকার বিনিময়ে পিবিআই মামলার প্রধান আসামি মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ১৬জনকে অব্যাহিত দিয়েছিলেন। আমি ওই তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে অনাস্থার আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত পিবিআই’র তদন্ত প্রতিবেদন না মঞ্জুর করেন এবং আমার এজাহার বর্ণিত ধারা অনুযায়ী মামলাটি আমলে নেন।

