রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর নাদের হাজীর মোড়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে নারীসহ উদ্ধারের পর টানা কয়েক ঘণ্টার নাটকীয় জিজ্ঞাসাবাদের শেষে চন্দ্রিমা থানা থেকে ছাড়া পেয়েছেন সাবেক বিতর্কিত ওসি ও বর্তমান পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলম। সংশ্লিষ্ট নারীর কোনো ‘অভিযোগ না থাকা’ এবং তাকে স্ত্রী দাবির মুখে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। তবে ফ্ল্যাট ট্র্যাজেডি থেকে সাময়িক রেহাই মিললেও বিপত্তি বাঁধছে ১৭ লাখ টাকার প্রতারণা অভিযোগ ও বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগের মতো গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ নিয়ে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান নিশ্চিত করেছেন, “ঘটনাটি ব্যক্তিগত এবং সঙ্গীয় নারীর কোনো লিখিত অভিযোগ না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আটক মাহবুব আলম ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
তবে পুলিশের এই সিদ্ধান্তে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিজেকে মাহবুবের ষষ্ঠ স্ত্রী দাবি করা নওগাঁর কনটেন্ট নির্মাতা আন্নি আক্তার। সকালে ফায়ার সার্ভিস ডেকে ফ্ল্যাটের ছিটকিনি ভাঙানোর পর থানায় গিয়ে মাহবুবের বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং একাধিক বিয়েসংক্রান্ত প্রতারণার লিখিত অভিযোগ জমা দেন তিনি। আন্নির দাবি, “বিগত চার মাসে এই নিয়ে তিনবার পরনারীর সঙ্গে ধরেছি। বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক গোপন রাখতে সামাজিক সম্মানের তোয়াক্কা না করে এখন পুলিশ ওকে আইনি ফাঁকগলে বের করে দিচ্ছে।”
ফ্ল্যাটের বিতর্ক থেকে পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব সাময়িক নিষ্কৃতি পেলেও বড় ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক জাঁতাকলে পড়তে যাচ্ছেন সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত এই কর্মকর্তা।
সিরাজগঞ্জ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, “মাহবুব আলম সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে কোনো ছুটি বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই রাজশাহীতে গিয়েছেন। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করা চরম শৃঙ্খলভঙ্গ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।” তার মূল কর্মস্থল নওগাঁ জেলা পুলিশকে ইতোমধ্যেই বিষয়টি দাপ্তরিকভাবে জানানো হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা ও দামকুড়া থানার সাবেক এই ওসির পিছু ছাড়ছে না পুরোনো বিতর্ক। এর আগেও এক সাবেক স্ত্রীর করা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানায় থাকাকালে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অনৈতিক লেনদেনের (খাম গ্রহণ) ভিডিও ভাইরাল হলে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আরএমপি জানিয়েছে, আন্নি আক্তারের আনা ১৭ লাখ টাকা প্রতারণার নতুন অভিযোগটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে।
রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর নাদের হাজীর মোড়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে নারীসহ উদ্ধারের পর টানা কয়েক ঘণ্টার নাটকীয় জিজ্ঞাসাবাদের শেষে চন্দ্রিমা থানা থেকে ছাড়া পেয়েছেন সাবেক বিতর্কিত ওসি ও বর্তমান পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব আলম। সংশ্লিষ্ট নারীর কোনো ‘অভিযোগ না থাকা’ এবং তাকে স্ত্রী দাবির মুখে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তাদের ছেড়ে দেয় পুলিশ। তবে ফ্ল্যাট ট্র্যাজেডি থেকে সাময়িক রেহাই মিললেও বিপত্তি বাঁধছে ১৭ লাখ টাকার প্রতারণা অভিযোগ ও বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগের মতো গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ নিয়ে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান নিশ্চিত করেছেন, “ঘটনাটি ব্যক্তিগত এবং সঙ্গীয় নারীর কোনো লিখিত অভিযোগ না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আটক মাহবুব আলম ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
তবে পুলিশের এই সিদ্ধান্তে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিজেকে মাহবুবের ষষ্ঠ স্ত্রী দাবি করা নওগাঁর কনটেন্ট নির্মাতা আন্নি আক্তার। সকালে ফায়ার সার্ভিস ডেকে ফ্ল্যাটের ছিটকিনি ভাঙানোর পর থানায় গিয়ে মাহবুবের বিরুদ্ধে ১৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া এবং একাধিক বিয়েসংক্রান্ত প্রতারণার লিখিত অভিযোগ জমা দেন তিনি। আন্নির দাবি, “বিগত চার মাসে এই নিয়ে তিনবার পরনারীর সঙ্গে ধরেছি। বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক গোপন রাখতে সামাজিক সম্মানের তোয়াক্কা না করে এখন পুলিশ ওকে আইনি ফাঁকগলে বের করে দিচ্ছে।”
ফ্ল্যাটের বিতর্ক থেকে পুলিশ পরিদর্শক মাহবুব সাময়িক নিষ্কৃতি পেলেও বড় ধরনের আইনি ও প্রশাসনিক জাঁতাকলে পড়তে যাচ্ছেন সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত এই কর্মকর্তা।
সিরাজগঞ্জ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, “মাহবুব আলম সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে কোনো ছুটি বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়েই রাজশাহীতে গিয়েছেন। বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করা চরম শৃঙ্খলভঙ্গ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।” তার মূল কর্মস্থল নওগাঁ জেলা পুলিশকে ইতোমধ্যেই বিষয়টি দাপ্তরিকভাবে জানানো হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রাজশাহীর চন্দ্রিমা ও দামকুড়া থানার সাবেক এই ওসির পিছু ছাড়ছে না পুরোনো বিতর্ক। এর আগেও এক সাবেক স্ত্রীর করা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত চলছে। ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানায় থাকাকালে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অনৈতিক লেনদেনের (খাম গ্রহণ) ভিডিও ভাইরাল হলে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। আরএমপি জানিয়েছে, আন্নি আক্তারের আনা ১৭ লাখ টাকা প্রতারণার নতুন অভিযোগটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে।