রাজশাহী প্রতিনিধিঃ রাজশাহী নগরীর মতিহার থানার ধরমপুর মধ্যপাড়ায় জমির সীমানা ও রাস্তার জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে একই পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাতুড়ি, বেলচা ও ইট দিয়ে হামলা এবং তিনজনের বিরুদ্ধে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোল্লা স্কুলের দক্ষিণ পাশে এ বিরোধের সূত্রপাত হয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, নির্মাণাধীন একটি বাড়ির প্রাচীর রাস্তার কিছু অংশ দখল করে নির্মাণ করা হচ্ছে, এমন অভিযোগে বাধা দেন কনক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কনকের বড় ভাই কায়েস প্রাচীর নির্মাণের বিষয়ে জানতে গেলে তাঁকে হাতুড়ি দিয়ে মুখে আঘাত করা হয়। এতে তাঁর ঠোঁট ফেটে যায় এবং সামনের তিনটি দাঁত ভেঙে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। এতে কায়েস, তাঁর বাবা আবুল কালাম আজাদ, মা নাসিমা বেগম এবং দুই ভাবি বিথী ও মিতু আহত হন।
অভিযোগ অনুযায়ী, কায়েসের বাবাকে বেলচা দিয়ে এবং ভাবি বিথীকে লোহার বাক্স দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ছাড়া নাসিমা বেগমের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কায়েসকে হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এবং আবুল কালামকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। অন্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এজাহারে আহতদের বিভিন্ন স্থানে সেলাই দেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাজিদ হোসেন মেরিন, তাঁর বাবা আব্দুস সালাম ও মিয়া বেগমের বিরুদ্ধে মতিহার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কনক। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মতিহার থানার অফিসার সেকেন্ড অফিসার এসআই রিপন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় ভুক্তভোগ দের পক্ষ থেকে থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

