সিংগাইরে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের পর সারা শরীরে মরিচের গুড়া 

0
সিংগাইরে এক গৃহবধূ গণধর্ষণের পর সারা শরীরে মরিচের গুড়া 

সিংগাইর প্রতিনিধিঃ  মানিকগঞ্জের সিংগাইরে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের পর সারা শরীরে মরিচের গুড়া ছিটানো ঘটনা ঘটেছে।এ ব্যাপারে থানায় অজ্ঞাত ৫ জনকে আসামী করে মামলা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলায় বলধারা ইউনিয়নের জৈল্যা গ্রামে।সে ওই গ্রামের শরীফ হোসেনের স্ত্রী। ওই গৃহবধূকে (২৩) মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর তাঁর চোখ-মুখ ও সারা শরীরে শুকনো মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৫ জনকে আসামি করে সিংগাইর থানায় মামলা করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের জৈল্যা গ্রামের ওই গৃহবধূ রাতে তার শয়নকক্ষ থেকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাইরে বের হয়। প্রকৃতি কাজ সেরে টয়লেট থেকে বের হওয়ার পর ওৎ পেতে থাকা ৫ জন মুখোশধারীরা তাঁর মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক বাড়ি থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে পার্শ্ববর্তী মোস্তফার কৃষিজমির সেচ পাম্পসংলগ্ন ড্রেনের দিকে নিয়ে যায়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর অভিযুক্তরা কাপড় ও ওড়না দিয়ে তাঁর হাত-পা বেঁধে পাশের একটি জমির আইলে ফেলে রেখে যায়। যাওয়ার সময় তাঁর চোখ, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে শুকনো মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়া হয়। পরে গৃহবধূর ডাক চিৎকার শুনে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করেন। তাঁরা হাত-পায়ের বাঁধন খুলে পানি দিয়ে শরীর থেকে মরিচের গুঁড়া পরিষ্কার করেন। পরে তাঁকে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তারা স্থানীয় ভাষায় কথা বলছিল।

এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, আসামীদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। সিংগাইর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফাহিম আসজাদ বলেন, গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।