শার্শায় এসএসসিতে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা,অনিশ্চিত ১২ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত

0
শার্শায় এসএসসিতে ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা,অনিশ্চিত ১২ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত

শহিদুল ইসলামঃ  ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ায় ১২ জন ছাত্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র মানসিক অস্থিরতা এবং অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।যেখানে ২০২৬ সালের সিলেবাস এর প্রশ্নের পরিবর্তে ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছিল।

জানাগেছে, ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়ায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বৃহস্পতিবার ছিলো বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা।এদিন বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ(কেন্দ্র নং-৫৩১)এর ২০৬ নম্বর রুমে ২৩ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।পরীক্ষা শেষ হলে একজন ছাত্র বুজতে পারে সে ২০২৫ সালের পুরানো সিলেবাসের প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছে। অথচ সে নতুন সিলেবাজ এর পরীক্ষার্থী। পরে বিষয়টি শিক্ষকদের জানালে একে একে ১২ জন পরীক্ষার্থী ওই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন বলে জানা যায়।এ ঘটনা জানাজানি হলে কেন্দ্রর পরিবেশও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষার্থীদের দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে বলা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে ১২ জন শিক্ষার্থীর ফলাফল ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন- এক কেন্দ্র একই রুমে আলাদা দুটি প্রশ্নে একই সাবজেক্ট এর পরীক্ষা কি ভাবে হলো? তাহলে হল সুপার,কেন্দ্র সচিব সহ ডিউটিরত স্যারদের কাজটা কি?তারা কেনো প্রশ্নগুলো সঠিক কিনা আগে থেকে দেখে নিলো না? এর দায়ভার কে নিবে? এসময় অনেক শিক্ষার্থী কান্নায় ভেঙে পড়ে।

অভিভাবকদের প্রশ্ন, কিভাবে ভুল প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে এলো? এই ভুলের দায়ভার কে নেবে? অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

কেন্দ্রের দায়িত্বশীলরা এ ঘটনার দায়ভার এড়াতে পারে কিনা এমন প্রশ্নে, হল সুপার সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন,আমরা ও কনফিউজড যে কিভাবে একই রুমে একই সাবজেক্ট আলাদা দুটি প্রশ্ন আসলো। আমরা এ ১২ জন শিক্ষার্থীর বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডে যাবো।

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান মোবাইল ফোনে জানান,বিষয়টির প্রশ্ন নিয়ে উত্তর দেওয়ার পরিস্থিতি এখনো হয়নি। তদন্ত চলছে।শেষ হলে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন।