আদালত প্রতিবেদকঃ রাজধানীর গুলশানে সরকারবিরোধী মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মীকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
একই মামলায় গ্রেপ্তার আরাফাত নামে এক আসামিকে নাবালক/শিশু দাবি করায় তার ক্ষেত্রে রিমান্ড শুনানি স্থগিত রেখে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার তার বয়সসংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা ও রিমান্ড বিষয়ে অধিকতর শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশানে কার্যক্রম স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ ২০০-২৫০ জন সমবেত হয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দেন, সন্ত্রাস সৃষ্টি ও বোমাবাজি করেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে আসামিদের ছত্রভঙ্গ করে। ঘটনাস্থল থেকে ৫টি তাজা ককটেল জব্দ করা হয়।
গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৮০-১০০ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।
তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিন আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের চিহ্নিত করতে আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করলেও তা নাকচ হয়ে যায়।
আ. রহিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, আলমগীর হোসেন, সাব্বির হোসেন, কামরুল হাসান (আলম), মুন্না মিয়া, সামিন ইয়াছির (সাদাফ), রাতুল, এইচ এম জাকারিয়া রহমান ওমান, মিনহাজুল ইসলাম ফাহাদ, সোহেল আহম্মেদ, সোহরাব, হযরত আলী, আজহারুল ইসলাম মাসুদ, চাঁন মিয়া, হাবিব সিকদার, জহির হোসেন, মেহেদী হাসান, কবির ভান্ডারী, বাবুল গোপ, ফরিদ আহমেদ, ইন্দ্রনীল দেব শর্মা, নজরুল ইসলাম ও মাসুদ হাসান শামীম।

