ফেরদৌস আলী , শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রাণীশিমুল ইউনিয়নের হালুয়াহাটি এলাকায় মোফাজ্জল হক (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে নিজ বাড়ির পেছনের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, ২০২২ সালে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জিকু পরিবারভুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোফাজ্জল হকের ছেলে শেখবর আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যা মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন এবং মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জামিনে মুক্তির পর থেকেই আসামিরা হত্যা মামলাটি আপস করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় মোফাজ্জল হকের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার রাণীশিমুল ইউনিয়নের হালুয়াহাটি এলাকায় মোফাজ্জল হক (৭৫) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে নিজ বাড়ির পেছনের একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, ২০২২ সালে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জিকু পরিবারভুক্ত কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোফাজ্জল হকের ছেলে শেখবর আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে। ওই হত্যা মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন এবং মামলার আসামিরা জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জামিনে মুক্তির পর থেকেই আসামিরা হত্যা মামলাটি আপস করার জন্য বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় মোফাজ্জল হকের মৃত্যু হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।