পীরগাছা প্রতিনিধি: রংপুরের পীরগাছায় এক স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারে সাভারে অভিযানের সময় সাভার থানা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মোনারুল ইসলামকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠায়, অভিযুক্ত পীরগাছা থানার চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
০৮ আগষ্ট শনিবার রাতে তাদেরকে রংপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন, এসআই কনক রঞ্জন বর্মন, এ এসআই ওসমান আলী,কনস্টেবল প্রশান্ত কুমার ও সুমী আক্তার।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, একটি সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে ঘরছাড়া এক ছাত্রীকে উদ্ধারে গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এসআই কনক চন্দ্র বর্মনের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি টিম সাভারের বিপিএটিসি কোয়ার্টারে অভিযান চালায়।
পুলিশ টিমে সাধারণ পোশাকে জিডির বাদী মিন্টু মিয়া ও তার শ্যালক উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযানের একপর্যায়ে মোনারুলকে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শনিবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ স্বজন, এলাকাবাসী ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা পীরগাছা থানার প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় তারা দ্রুত বিচারের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, নিহত মোনারুল ইসলাম বকশী গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের হাতিবান্ধা গ্রামের জাফর আলীর ছেলে। বাবার চাকরির সূত্রে তিনি সাভারের বিপিএটিসি কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সেলিম মালিক বলেন, এবিষয়ে ঢাকা এবং রংপুরে পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ওই অভিযানে অংশ নেয়া পীরগাছা থানার চার পুলিশ সদস্যকে রংপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, পীরগাছা থানাকে সহযোগিতা করতে এসআই আব্দুল হাইসহ দুইজন কনস্টেবল গিয়েছিল।

