মিজানুর রহমান বুলেট: গভীর বঙ্গোপসাগরে ইলিশের আকাল, ফলে জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্ক্ষিত ইলিশ। বেচা-বিক্রি নেই কুয়াকাটা, আলীপুর, মহিপুর মৎস্য আড়তে। সমুদ্র থেকে দু’একটি ট্রলার অল্প কিছু মাছ নিয়ে তীরে ফিরলেও বেশিরভাগ ট্রলার আসছে শূন্য হাতে। এ অবস্থায় উপকূলের জেলে পল্লী ও পরিবারে চলছে হাহাকার।
ঋণের বোঝায় দিশেহারা কুয়াকাটাসহ উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার জেলে পরিবার। মৎস্য আড়তগুলোতে আগের মতো কর্মব্যস্থতা নেই। আড়তের জেলে শ্রমিকরা বেকার দিন পার করছে। যুবক শ্রেণির শ্রমিকরা আড়তে ভিড় করে টেলিভিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান দেখছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা চায়ের দোকানে বসে গল্প আড্ডায় সময় পার করছে। কিছু জেলে পুরানো জাল সংস্কার করছে। এক কথায় কর্মব্যস্ত মাছ বাজারের মানুষগুলো কর্মহীন অবস্থায় সময় পার করছে।
জেলে রহিম হাওলদার বলেন,এনজিও থেকে বৌ নিছেলোন,এদিকে সাগরে পরেনা মাছ কিকরে কিস্তির টাকা দিমু।হেই চিন্তায় পাগল।
ট্রলার মালিক মনির হাওলাদার বলেন,একএকবার ট্রলারে বাজার দিয়ে সাগরে পাঠাই দের-দুই লক্ষ টাকার বাজার দিয়ে, মাছ পায় ১৫/২০ হাজার টাকার তাদিয়ে জেলদের দিব,না দোকানের বকেয়া দিবো,না নুতুন করে আবার বাজার দিয়ে সাগরে পাঠাবো। আমরা একন হতাসার মধ্যে আছি।
মহিপুর আল্লাহ ভরসা আড়ৎ মালিক মো: লুনা আকন বলেন, আমারা ট্রলার মালিকদের বাজার দিতূিত শেষ,কোন মাছই নেই। অনেক আড়ৎদার,ট্রলার মালিক পথে বসেগেছে। এখন আমরা আল্লাহর দিকে তাকিয়ে আছি।
মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি মোঃ দিদার উদ্দিন আহম্মেদ মাসুম বলেন, এভাবে আর কিছু দিন মাছ না পড়লে আমাদের সকল আড়দে তালা মারতে হবে। এখন আল্লাহই একমাত্র ভরসা।

