এ এম মিজানুর রহমান বুলেট, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) উপজেলা সংবাদদাতা : পটুয়াখালীর মহিপুরে সরকারি এক কর্মকর্তার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোঃ আল আমিন জনতা ব্যাংক পিএলসি, খেপুপাড়া শাখার কর্মকর্তা এবং স্হানীয় ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।
অভিযোগ রয়েছে, মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের চাপলী বাজারে শুক্রবার বিকেলে কতিপয় সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলায় জড়িতরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ব্যবহার করে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও চাঁদাবাজি করে আসছে। অভিযুক্তরা হলো— মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের বজলু গাজীর ছেলে মনির (৩৬), ফেরদাউস (২৬) ও মন্টু (২২)।
স্থানীয় বাসিন্দা আ. সালাম জানান, “হঠাৎ কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ চালিয়ে পালিয়ে যায়।”
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো, তারিকুল ইসলাম সুমন বলেন, “প্রকাশ্যে দিবালোকে এ ধরনের হামলা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।” যে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তারা এসকল অপকর্ম করছে তাতে সেই দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ম্যানেজার আল আমিন বলেন, “কয়েকদিন আগে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে আমার কথাকাটাকাটি হয়েছিল, তা স্হানীয় পর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়।”তবে এরপর তারা আমার উপর এভাবে হামলা করল কেন আমি আসলে বুজতে পারছিনা।আমি এই সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাই। ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো মেহেদী হাসান লিমন অভিযোগ করেন, “অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অপরাধ করে আসছে। ঐ দলের কাছে আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
মহিপুর থানা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড শাহজাহান পার্ভেজ বলেন,সন্ত্রাসী কোন দলের নয়,খবর নিয়ে দেখি এর সত্যতা প্রমান হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দলিও ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।
এবিষয় মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো শামীম আহম্মেদ বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।
কলাপাড়া প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর মহিপুরে সরকারি এক কর্মকর্তার ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার বিকেলে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোঃ আল আমিন জনতা ব্যাংক পিএলসি, খেপুপাড়া শাখার কর্মকর্তা এবং স্হানীয় ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।
অভিযোগ রয়েছে, মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের চাপলী বাজারে শুক্রবার বিকেলে কতিপয় সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হামলায় জড়িতরা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ব্যবহার করে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও চাঁদাবাজি করে আসছে। অভিযুক্তরা হলো— মহিপুর থানার ধুলাসার ইউনিয়নের নতুন পাড়া গ্রামের বজলু গাজীর ছেলে মনির (৩৬), ফেরদাউস (২৬) ও মন্টু (২২)।
স্থানীয় বাসিন্দা আ. সালাম জানান, “হঠাৎ কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলাকারীরা সন্ত্রাসী কায়দায় আক্রমণ চালিয়ে পালিয়ে যায়।”
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো, তারিকুল ইসলাম সুমন বলেন, “প্রকাশ্যে দিবালোকে এ ধরনের হামলা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।” যে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তারা এসকল অপকর্ম করছে তাতে সেই দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।
ভুক্তভোগী ম্যানেজার আল আমিন বলেন, “কয়েকদিন আগে মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে আমার কথাকাটাকাটি হয়েছিল, তা স্হানীয় পর্যায়ে বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়।”তবে এরপর তারা আমার উপর এভাবে হামলা করল কেন আমি আসলে বুজতে পারছিনা।আমি এই সন্ত্রাসী হামলার বিচার চাই। ফার্মেসি ব্যবসায়ী মো মেহেদী হাসান লিমন অভিযোগ করেন, “অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অপরাধ করে আসছে। ঐ দলের কাছে আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
মহিপুর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড শাহজাহান পার্ভেজ বলেন,সন্ত্রাসী কোন দলের নয়,খবর নিয়ে দেখি এর সত্যতা প্রমান হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দলিও ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।
এবিষয় মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো শামীম আহম্মেদ বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।