রাণীনগর প্রতিবেদক: দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়া, স্থান খসে ইট বেরিয়ে যাওয়া, নিচের অংশ ধসে পড়া আর ভবনের চারপাশে বড় বড় ফাটল। দীর্ঘদিন ধরে এমন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার খাগড়া কমিউনিটি ক্লিনিকটির নিজস্ব ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
অযত্ন ও অবহেলায় মূল ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রায় দেড় বছর ধরে স্থানীয় সেফাত হোসেন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে এটি স্থানান্তর করা হয়। গ্রামীণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চিকিৎসার জন্য ক্লিনিকটি ছিল প্রধান ভরসাস্থল। কিন্তু নিজস্ব ভবন না থাকা এবং স্থান সংকটের কারণে সেবা নিতে এসে যেমন স্থানীয় মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনই দিতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়াও।
সরেজমিনে দেখা যায়, মূল ভবনের একটি অংশে দেয়াল ভেঙে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং ভেতরের মেঝেতে ইটের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে। ক্লিনিকে কর্মরত কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) শহিদুল জানান, তিনি দেড় বছর ধরে এখানে দায়িত্বে থাকলেও ভাড়ার বিষয়টি তাঁর জানা নেই; তবে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্থানীয় অধিবাসী সাগরসহ একাধিক বাসিন্দারা ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত ভবনটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি প্ল্যানিং অফিসার (ইউএইচ অ্যান্ড এফপিও) ড. কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খান জানান, উপজেলার পুনর্নির্মাণযোগ্য ৭টি ক্লিনিকের তালিকায় এটি এক নম্বরে রয়েছে। চলতি অর্থবছরেই এর কাজ শুরু হবে।

