মামলায় সাক্ষী হওয়ায় মহিপুরে যুবককে কুপিয়ে জখম

0
মামলায় সাক্ষী হওয়ায় মহিপুরে যুবককে কুপিয়ে জখম

কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মহিপুরে জমিজমা সংক্রান্ত মামলায় সাক্ষী হওয়ায় বেল্লাল হাওলাদার (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী বশির হাওলাদারের বিরুদ্ধে। হামলায় বেল্লালের ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার ঘাড়ে পাঁচটি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

শনিবার সকাল ৭টার দিকে মহিপুর থানার ধুলারসার ইউনিয়নের বেতকাটা গ্রামের একটি খালে মাছ ছাড়ানোর সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন আহত বেল্লাল।

বেল্লাল হাওলাদার জানান, সকালে বাড়ির পাশের খালে জাল থেকে মাছ ছাড়ানোর সময় পেছন থেকে বারেক হাওলাদারের ছেলে বশির হাওলাদার দেশীয় অস্ত্র রামদা ও সাফল নিয়ে তার ওপর হামলা করেন। এ সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলে তার ঘাড়ে কোপ মারে। কোপের আঘাতে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে বশির রামদা দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপায় ও আঘাত করেন। একপর্যায়ে তাকে মৃত্যু ভেবে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে অভিযুক্ত পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন বেল্লাল।

পরে বেল্লালকে খালের পাড়ে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় এক যুবক ডাক-চিৎকার দিলে তার পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা তাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসকরা তার আঘাতের স্থানে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বেল্লালের বড় ভাই সোনা মিয়া বলেন, আমার ভাই কোনো রাজনীতি বা কোনো ঝামেলার সঙ্গে জড়িত নন। তিনি শান্তশিষ্ট মানুষ। তার বাড়ির পাশে নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে অভিযুক্ত বশির হাওলাদারদের জমিজমা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে, কয়েকদিন আগে ওই মামলার তদন্তের জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে আমার ছোট ভাই পুলিশের কাছে সাক্ষ্য দেন। এর জের ধরেই তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে, আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত বশির হাওলাদারের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায় । ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মো: শামীম বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।