জয়নাল আবেদীন: জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন.বিএনপি ওপেনে হ্যাঁ এর পক্ষে বললেও গোপনে না এর পক্ষে কাজ করছে। তাদের ওপেন-গোপন খেলা বন্ধ করতে হবে। রোববার রাত আটটার দিকে রংপুরের কাউনিয়ায় রংপুর-৪ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী আখতার হোসেনের নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন।
হাসনাত বলেন, আমরা যখন হ্যাঁ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছি তখন, ভারতের শাখা পার্টি জাতীয় পার্টি না ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তাই আগামী ১২ তারিখ ভোটের মাধ্যমে জাতীয় পার্টির দাফন সম্পন্ন হবে। তারা অলরেডি মৃত। ১২ তারিখ আনুষ্ঠানিক জানাযা হবে।
আখতার হোসেনের পক্ষে ভোট চেয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন আখতার হোসেন শুধু কাউনিয়ার কৃতি সন্তান না, তিনি বাংলাদেশের কৃতি সন্তান, তিনি দেশের যে কোন স্থান থেকে ভোটে জিতে আসার সক্ষমতা ও জনপ্রিয়তা রাখে। তাই কাউনিয়া-পীরগাছা বাসীকেই আখতার হোসেনকে জেতাতে দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের টাকা, নাই, আমরা কোন চাঁদাবাজি করে টাকা নিয়ে আসি নাই। কিংবা জুলুম করে টাকা নিয়ে আসি নাই। তবে আমাদের ভবিষৎ পরিকল্পনা রয়েছে উন্নয়নের।
কাউনিয়া বাসীকে বলতে চাই, ভোটের আগের দিন শাড়ি, লুঙি,টাকা নিয়ে আসবে, তাদের আগামী ১২ তারিখ প্রত্যাখান করতে হবে। আর যদি অর্থের জন্য অপেক্ষা করেন কিংবা সিএনজির জন্য অপেক্ষা করেন, তাহলে একদিনের সুবিধার জন্য আগামী ৫ বছরের জন্য গোলামী করতে হবে। তাই সুবর্ণ সুযোগ এসেছে পরিবর্তনের। সেই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। এসময় তিনি রাস্ট্রীয় ক্ষমতায় আমুল পরিবর্তনের হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ভোট চান।
এর আগে বিকেলে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেছেন বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করার চেষ্টা হলে যেকোনো ধরণের কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ১১ দলীয় জোট প্রস্তুত রয়েছে । আমাদের মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে সব দিকে খুব স্পষ্টভাবে এবং দলগুলোর মধ্যে কমন আন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে। যদি একটা বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করার চেষ্টা হয়, এমন একটা সেটেলমেন্টের মধ্য দিয়ে যেটা আগে থেকেই বোঝা যাবে যে, অমুক প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে বা অমুক দল নির্বাচিত হচ্ছে। এ ধরণের কোনো নির্বাচন আয়োজন করার চেষ্টা হয়, তাহলে ১১ দলীয় জোট যেকোনো সময় যেকোনো ধরণের কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য প্রস্তুত আছে।রোববার বিকেলে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার জাফরপায় আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে অন্তবর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি যে, অনেক জায়গায় সংঘর্ষ হচ্ছে। একটি জায়গায় জামায়াতে ইসলামীর একজন উপজেলা সেক্রেটারিকে হত্যা করা হয়েছে। যখন এই ধরণের ঘটনাগুলো ঘটছে, তখন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আমরা এই বিষয়গুলো অনেক ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত ধৈর্য সহকারে অবজারভ করছি।

