আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মর্যাদাপূর্ণ এই তালিকার ‘লিডারস’ (নেতা) ক্যাটাগরিতে তিনি ১৬তম অবস্থানে রয়েছেন। আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতিকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সমৃদ্ধ আগামীর পথে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
টাইম ম্যাগাজিন তাদের বিশেষ প্রতিবেদনে তারেক রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, ১৭ বছরের নির্বাসন জীবন এবং দেশে ফিরে রাষ্ট্র সংস্কারে তার দূরদর্শী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছে। বিশেষ করে গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জয়ের পর মাত্র দুই মাসেরও কম সময়ে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং ‘ফার্মার্স কার্ড’-এর মতো উদ্যোগের প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক মহল। বাংলাদেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
টাইম-এর সিঙ্গাপুর ব্যুরো চিফ ও ভূ-রাজনীতি বিশেষজ্ঞ চার্লি ক্যাম্পবেল প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে নিবন্ধটি লিখেছেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, “কয়েক মাস আগেও লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটানো তারেক রহমান আজ ১৭ কোটি মানুষের দেশের ভাগ্যবিধাতা। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয় তার ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে।”
নিবন্ধে আরও বলা হয়, ঢাকায় ফেরার মাত্র পাঁচ দিন পর মা খালেদা জিয়াকে হারানোর তীব্র শোককে শক্তিতে রূপান্তর করেছেন তারেক রহমান। বর্তমানে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব এবং ভারতের সঙ্গে তলানিতে ঠেকে থাকা সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে তিনি নিরলস কাজ করছেন।
তারেক রহমানের পাশাপাশি ২০২৬ সালের এই প্রভাবশালী তালিকায় আরও স্থান পেয়েছেন: বিশ্বনেতা: শি জিনপিং, ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, মার্কো রুবিও।
প্রযুক্তি ও ধর্ম: গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই এবং পোপ লিও চতুর্দশ।
বিনোদন: ভারতের রণবীর কাপুর ও অভিনেত্রী ডকোটা জনসন।
পুরানো সব আইনি বাধা কাটিয়ে এবং দুর্নীতির অভিযোগ আদালত কর্তৃক খারিজ হওয়ার পর তারেক রহমান এখন দেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। টাইমের সাথে সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশের উন্নয়নে তিনি আর একটি মুহূর্তও সময় নষ্ট করতে রাজি নন।

