রাজারহাটে পিতা-মাতাকে রক্তাক্ত করে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ

0
রাজারহাটে পিতা-মাতাকে রক্তাক্ত করে ৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ

এ.এস.লিমন: রাজারহাটে উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মহিধর খন্ডক্ষেত্র গ্রামে দুর্বৃত্তরা নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে। দুর্বৃত্তরাদদের হামলায় ধর্ষিত ছাত্রীর পিতা-মাতা গুরুত্বর আহত হয়েছেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা পরিবারের সবাইকে জিম্মি ও মারপিট করে ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও এক লাখ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় দৃর্বৃত্তের দল। রবিবার(২৬ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, গভীর রাতে ৪ সদস্যের একটি দুর্বৃত্তরাদল ছিনাই ইউনিয়নের সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী খন্দকার রেজা শাহলোবি রায়হান (৪৮) এর বাড়িতে ঢুকে প্রথমে তার মাথায় আঘাত করে। পরে তার স্ত্রী পারভীন বেগম (৩৮)কে মারপিট করে তার ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও এক লাখ ৬০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এরপর তাদের নবম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে তুলে নিয়ে যায় এবং পার্শ্ববর্তী এলজিইডি খামারের পাশে ইউক্লিপটাস বাগানে গণধর্ষণ করে। আহত অবস্থায় মেয়েটি পার্শ্ববর্তী এক বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে প্রতিবেশীরা তাকেসহ তার বাবা ও মাকে উদ্ধার করে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

রেজা সাহলোবি রায়হান জানান, তার ও তার স্ত্রীর মোবাইলে প্রায় মেয়েকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মেসেজ আসতো। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটাতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তিনি।

এ ঘটনায় কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খাঁন, সহকারী পুলিশ সুপার উৎপল কুমার, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন মঞ্জু,রাজারহাট উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান জাহিদ ইকবাল সোহরাওয়ার্দী বাপ্পি,রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ রাজু সরকারসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

রাজারহাট থানার ওসি মো: রাজু সরকার জানান, ২৭ জুলাই সোমবার রাতে খন্দকার রেজা সাহলোবি রায়হান বাদী হয়ে ৩ জনকে অজ্ঞাতনামীয় আসামী করে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে। আশা করছি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবো।