তাবারক হোসেন আজাদ: গ্রামবাসী সুবিধার জন্যই নদীর উপর ব্রীজ বা সাঁকো নির্মাণ করা হয়। আর সেটিই যদি মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়- তাহলে কেন এই ব্রীজ ? গত এক বছরে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও চরমোহনা ইউপির সীমান্তবর্তী ডাকাতিয়া নদীর উপরে নির্মানাধীন ব্রীজটির পাশের কাঠের সাঁকোটি পারাপার হতে নীচে পড়ে নারীসহ ২০ জন আহত হয়। মঙ্গলবার (২ মার্চ) দুপুরে বিকল্প কাঠের সাঁকো পারাপার হতে মোটরসাইকেলসহ ব্যবসায়ী বাচ্চু মিয়া নদীতে পড়ে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়েছে।
আহত ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে নিলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে । তার পেট দিয়ে রড ঢুকে গেছে এবং অবস্থা আশংকাজনক বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।
তাৎক্ষনিক গ্রামবাসি স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য হোসেন আহাম্মদের নেতৃত্বে কাঠের সাঁকোটি শক্তভাবে নির্মাণের দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন।
এলজিইডির রায়পুর কার্যালয়ের উপ-সহকারি প্রকৌশলি তাজল ইসলাম জানান, প্রায় এক বছর আগে ডাকাতিয়া নদির উপর প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যায়ে -ব্রীজটির কাজ পান লক্ষ্মীপুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রিয়াসাত এন্ড ব্রাদার্স। তাদের কাছ থেকে কাজটি কিনে নেন রায়পুরের টিকাদার কৌশিক আহাম্মেদ সোহেল। এক মাস আগে ব্রীজের পাশে গ্রামবাসির চলাচলের জন্য কাঠের পুল ও রিটার্নিং ওয়াল নির্মান করা হয়েছে। তার উপরে বাড়ানো হবে। গ্রামবাসীকে সতর্ক হয়ে চলতে বলা হয়েছে। তারা না চললে কি করার আছে। আহত ব্যাক্তিকে সু-চিকিৎসা দিতে ঠিকাদারকে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার কৌশিক সোহেল জানান, কাজের মানে অনিয়ম নেই। আহত ব্যবসায়ীর খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। গ্রামবাসিদের সতর্ক করে চলাচলের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

