তাবারক হোসেন আজাদ: তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও প্রথম ধাপের মতো আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা ৯টিতে জয় পেয়েছেন। তবে এক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ উল্লাকে হার মানতে হয়েছে স্বতন্ত্র হিসাবে নির্বাচন করা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীর কাছে।
রোববার (২৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১ টার সময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনজন দাশসহ চারজন রির্টানিং কর্মকর্তা মোঃ হারুন মোল্লা, শরিফ হোসেন, মোস্তাক আহাম্মদ ও নুর মোহাম্মদ সকল বিজয়ীর নাম বেসরকারিভাবে ঘোষনা করেছেন।।
রায়পুর ১০টি ইউপি নির্বাচনে-চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলেন যারা-১নং উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জাফর আহাম্মেদ দুলাল হাওলাদার। ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হোসেন ( বিনা ভোটে)। ৩নং চরমোহনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সফিকুর রহমান পাঠান ( বিনা ভোটে)। ৪নং সোনাপুর ইউনিয়নে আ’লীগের প্রার্থী এডভোকেট ইউসুফ জালাল কিসমত। ৫নং চরপাতা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সুলতান মামুন রশিদ। ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আ’লীগের শাহিনুর বেগম রেখা। ৭নং বামনী ইউনিয়নে আ’লীগের তাফাজ্জল হোসেন। ৮নং দক্ষিন চরবংশী ইউনিয়নে আ’লীগের আবু সালেহ মিন্টু ফরাজি। ৯নং দক্ষিন চরআবাবিল ইউনিয়নে আ’লীগের হাওলাদার নুরে আলম জিকু। ১০নং রায়পুর ইউনিয়নে আ’লীগের সফিউল আযম সুমন চৌধুরী ( বিনা ভোটে)।
উল্লেখ্য-২৮ নভেম্বর ৩য় ধাপের নির্বাচনে ২৮ জন চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত আসনে ৮৬ জন ও সাধারন ওয়ার্ডে সদস্য ৩৮২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন। তার মধ্যে তিনজন চেয়ারম্যান, চারজন সংরক্ষিত ও সাধারন ওয়ার্ডের সদস্য ৭জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। ১০ ইউপির ৯৮ কেন্দ্রের ৪৫৬টি কক্ষে ভোট গ্রহন হয়েছে। ৬৬টি কেন্দ্রকেই ঝুকিপুর্ণ কেন্দ্র হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।।

