সাহারুল হক সাচ্চু: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আদিধারার সমাজ প্রথা এখনো চালু আছে। গ্রামগুলোয় সমাজের সংখ্যা ফিবছরই বাড়ছে। উল্লাপাড়া উপজেলার সব গ্রামেই বসতিদের নিয়ে সমাজ প্রথা চালু রয়েছে। গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার পরিবার নিয়ে সমাজ গঠন করা আছে। একেকটি সমাজের সদস্য পরিবার ১০ থেকে ৫০ শের বেশি সংখ্যাক পরিবার রয়েছে। তবে ফিবছরই (প্রতি বছর) নতুন সমাজ গঠন হচ্ছে। পুরানো সমাজের সদস্য নিয়েই নতুন সমাজ গঠন হচ্ছে। আর বিভিন্ন নিয়ম কানুন চালু করা হচ্ছে। সামাজিক নিয়মে সমাজ ভুক্ত পরিবারের কারো মৃত্যু পরবর্তি দাফনের কাজ সমাজের লোকজন যাবতীয় দায়িত্ব পালন করে থাকে। এছাড়া সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানসহ সমস্যাদির সমাধান সামাজিকভাবে সমাধানে চেষ্টা করা হয়। উল্লাপাড়ার প্রায় সব গ্রামগুলোয় সামজিক রীতিতে কোরবানীর পশুর মোট মাংসের অর্ধেক কিংবা তিন ভাগের একভাগ সমাজে নেওয়া হয়। এ মাংস সমাজ ভুক্ত প্রতিটি পরিবারের মাঝে সমানভাবে বন্টন করা হয়ে থাকে। এসব আদিধারা এখনো বহাল আছে। এদিকে কোরবানী ঈদ সামনে গ্রামের সমাজপতিরা নিয়মিত দফায় দফায় সামাজিক বৈঠক করছেন বলে জানা যায়। এসব বৈঠকে বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে সামাজিকভাবে সমাধান করা হচ্ছে বলে জানা যায়। উল্লাপাড়ার নাগরৌহা গ্রামের একটি সমাজে প্রধান হলেন মোঃ নুর ইসলাম ভোলা । তার বাবাও সমাজের প্রধান ছিলেন। সে জানায়, সামজিকভাবে বসবাস আর সমাজ প্রথা আগে থেকেই চলে আসছে।

