সোনারগাঁও প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্যান্য উপজেলার মধ্যে ঐতিহ্যবাহী এবং শিল্প কারখানার উপজেলা হলো সোনারগাঁ উপজেলা। সোনারগাঁ, বন্দর ও আড়াইহাজার উপজেলার সমন্বয়ে মদনপুর থেকে আড়াইহাজার মহাসড়কটির বর্তমান অচলাবস্থা।
ঢাকা সিলেট মহাসড়ক বা এশিয়ান হাইওয়ের বস্তল, তালতলা , নোয়াপুর হয়ে আড়াই হাজার পর্যন্ত রাস্তা জুড়ে বড় বড় গর্তের কারণে প্রতিনিয়ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এশিয়ান হাইওয়ের সাথে এ রাস্তার সংযোগ থাকার কারণে অন্যান্য রাস্তার তুলনায় এ রাস্তায় ভারি যানবাহন বেশি চলে যেমন ,ট্রাক,লড়ি,কভারভ্যান সহ ২৪ ঘন্টা পণ্যবাহী গাড়ী চলাচলের কারণে রাস্তায় বড় গর্তে সৃষ্টি হয়। এর ফলে পণ্যবাহী গাড়িগুলো সময় মতো গন্তব্য স্থলে পৌছাতে পারেনা সেই সাথে অফিসগামী কর্মব্যস্ত মানুষকে প্রতিদিনই পরতে হয় মদনপুর থেকে আড়াইহাজার রাস্তায় তীব্র যানজটে।
এ রাস্তায় চলাচলরত ট্রাক ড্রাইভার মোতালেব মিয়া জানান, রাস্তাটি খানাখন্দের কারণে আমরা প্রতিনিয়ত এ রাস্তায় যানজটে পরে থাকতে হয়, সময় মতো গন্তব্য স্থলে পৌছাতে পারিনা।
স্থানীয় সাবেক সিরাজ মেম্বার বলেন শুনেছি এ রাস্তাটি জরুরী ভাবে মেরামত করা হবে উক্ত রাস্তাটি দিয়ে ব্যক্তি মালিকানা দিন পরিবহন সার্ভিস চালু করা হলে তা হবে আত্মঘাতী মূলক সিদ্ধান্ত যা সকল প্রকল্পের চলমান কাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং নান্দনিক কাজের সৌন্দর্য বিনষ্ট হবে। নোয়াপুর ব্যবসায়ী আমির হোসেন জাজান রাস্তাটি বহুদিন যাবত বেহালঅবস্থার কারনে যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সাদিপুর ইউনিয়ণ পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশীদ মোল্লা বলেন, আজ থেকে প্রায় ৭-৮ বছর পূর্বে আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে এ রাস্তাটির কাজ হয়েছিলো,তারপর বিভিন্ন সময়ে রাস্তা মেরামত করার কাজ হলেও তা সঠিকভাবে না করার কারনে একমাসের মধ্যেই আবারও রাস্তায় গর্তের সৃষ্টি হয়ে রাস্তা গাড়ী চলাচলের অযোগ্য হয়ে পরে।
থানাখন্দে ভরা রাস্তার কাজ কবে নাগাদ শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রহিম বলেন, মদনপুর থেকে বস্তল পর্যন্ত রাস্তাটি একটি প্রকল্পের আওতায় চলে গেছে, রাস্তাটি জরুরী ভাবে মেরামত করার জন্য আমরা তাদেরকে অবহিত করেছি।

