রমজান শুরুর আগেই বেড়েছে সব ধরনের খাদ্য পণ্যের দাম, দিশেহারা সাধারন ক্রেতারা

0
রমজান শুরুর আগেই বেড়েছে সব ধরনের খাদ্য পণ্যের দাম, দিশেহারা সাধারন ক্রেতারা

কলাপাড়া প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রমজান শুরুর আগেই বেড়েছে সব ধরনের খাদ্য পণ্যের দাম।ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার নাগালের বাহিরে চলেযাচ্ছে। সাধারণ মানুষ দিশেহারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত এক সপ্তাহে চাল, ডাল, তেল, আঁটা, পিয়াজ, রসুন ও সোলার দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। একইসঙ্গে ইলিশসহ দেশীয় মাছের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা। ব্রয়লার, সোনালী ও দেশী মুরগির দাম কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বাড়লেও গরু ও খাসির মাংসের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা। ডিমের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিকে সকল ধরনের সবজির দামও বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা।

তাই বাজারে আসা ক্রেতাদের চোখে মুখে লক্ষ্য করা গেছে বিরক্তির ছাপ। নিত্য পন্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে পাইকারী বাজারে বেশি দামে ক্রয়ের কারনে খুচরা বাজারে একটু বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। যদি কেউ পন্য মজুদ করে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি বাজার মনিটরিংয়ের কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

ক্রেতা আ: সবুজ মিয়া বলেন, সকল ব্যবসায়ীরা রমজান উপলক্ষে সকল মালামালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা সেন্টিকেট করে সাধারণ মানুষের উপর জুলুম করতেছে।প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এখনি জরুরী বাজার মনিটরিং করা উচিত।

মৎস্য বিক্রেতা মো জব্বার বলেন, এখন আমাদের মাছ বেশী দামে কিনতে হয় তাই আমরাও একটু বেশী দামে বিক্রি করি।

কাঁচামাল ব্যবডায়ী আ: রহিম মিয়া বলেন, নির্বাচনের কারনে মোকাম থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে তারপর আমাদের পরিবহন খরচ বেশি পড়ায় আগের চেয়ে মালামালের দাম একটু বেশী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাউসার হামিদ বলেন,গতকাল জেলায় মিটং হয়েছে, আজ থেকে বাজার মনিটরিং শুরু হয়েছে। যদি কেহ বেশি দামে বিক্রি করে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট করা হবে।