পটুয়াখালীর উৎপাদিত মুগ ডাল রপ্তানি হচ্ছে অর্থনীতিতে রাখছে বিরাট ভূমিকা

0
পটুয়াখালীর উৎপাদিত মুগ ডাল রপ্তানি হচ্ছে অর্থনীতিতে রাখছে বিরাট ভূমিকা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি: জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও কোরিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশের মুগ ডাল। উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে উৎপাদিত মুগ ডাল দেশের সীমানা ছাড়িয়ে এসব দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এতে অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখছে এ ডাল।

জমির উর্বরতা, ভালো ফলন ও বেশি দাম পাওয়ায় রবি মৌসুমে পটুয়াখালীর বেশির ভাগ জমিতেই মুগ ডাল চাষ করছেন কৃষকরা।এমনটাই জানালেন তারা।

চাষিরা জানান, মুগের আবাদ, পরিচর্যা আর ফলন ঘরে তুলতে কর্মসংস্থানও হচ্ছে অনেকের। চলতি মৌসুমের উৎপাদিত মুগ ডালের বাজার মূল্য হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন দেশের তিন ভাগের এক ভাগ মুগ ডাল উৎপাদন হচ্ছে পটুয়াখালীতে। দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে মুগ ডাল।

জেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হিসেবে চলতি রবি মৌসুমে পটুয়াখালী জেলায় ৮৭ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ৮৮ হাজার ৮৯১ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে সদর উপজেলায়ই আবাদ হয়েছে ১৮ হাজার ৭২১ হেক্টর জমিতে। বিগত মৌসুমে হেক্টর প্রতি ১ হাজার কেজি মুগডাল পাওয়া গেলেও, এ বছর হেক্টর প্রতি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ১৫০ কেজি।

এ বিষয়ে স্থানীয় খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরে, এ জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে জাপানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মুগ ডাল রপ্তানি হচ্ছে।

উপ-পরিচালক বলেন, জাপানের একটি কোম্পানি মুগ ডাল সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। ওদের তালিকাভুক্ত সাড়ে ৩ হাজারের মতো কৃষক আছে, যাদের কাছ থেকেই মূলত ওরা মুগডাল সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়।

চলতি মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৮ হাজার ২৩৪ দশমিক ১৫ মেট্রিক টন। ১০০ টাকা কেজি দরে যার বাজারমূল্য ৯৮২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। এ ছাড়া এখনো মাঠে রয়েছে ৪ শতাংশ ডাল।