এলএনজি কার্গো না আসায় এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ: দেশজুড়ে গ্যাস-সংকট তীব্রতর

0
এলএনজি কার্গো না আসায় এক্সিলারেটের সরবরাহ বন্ধ: দেশজুড়ে গ্যাস-সংকট তীব্রতর

বাংলাদেশ প্রতিবেদকঃ টানা ২৫ দিন ধরে চলা চরম গ্যাস-সংকটের মধ্যে সামিটের টার্মিনাল পুরোপুরি এবং এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিকভাবে চালুর পর সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও তা বেশি দিন টেকেনি। আমদানিকৃত নতুন এলএনজি কার্গো না পৌঁছানোয় মজুত ফুরিয়ে আজ দুপুর তিনটা থেকে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে দেশজুড়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সংকট আরও তীব্র রূপ ধারণ করেছে।

সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে কম দামে কেনার লক্ষ্যে যে কার্গোগুলোর অর্ডার দেওয়া হয়েছিল, চলতি মাসে সেগুলোর মধ্যে ৪টি কার্গো আসার কথা থাকলেও একটিও দেশে পৌঁছায়নি।

মহেশখালীতে এক্সিলারেটের ভাসমান টার্মিনালটি কারিগরিভাবে সচল ও প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও কাঁচামাল বা এলএনজি না থাকায় সরবরাহ শূন্যে নেমে এসেছে।

গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট টার্মিনালে অগ্নিদুর্ঘটনার পর সেটি দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। শনিবার পুরোনো মজুত থেকে আংশিক সরবরাহ শুরু হলেও সোমবার থেকে তা ক্রমেই কমতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত আজ তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল একটি এলএনজি কার্গো এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে, যা সামিটের টার্মিনালে যুক্ত করা হবে। কিন্তু এক্সিলারেটের জন্য নির্ধারিত কার্গোটি ২০২৩-২৪ বা পরবর্তী শিডিউল অনুযায়ী ২৩-২৪ আগস্টের আগে আসার সম্ভাবনা নেই। ফলে আগামী আরও কয়েক দিন এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধই থাকবে।

কার্গো না আসা পর্যন্ত বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সংকট আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।