‘বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া’: মির্জা ফখরুল

0
‘বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া’: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নাম ও অবদান ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আজকের এই বিশেষ দিনে জন্ম নিয়েছিলেন এমন এক দেশনেত্রী, যিনি নিজের ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেছিলেন। বারবার নেতৃত্ব ও সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি এই দেশকে গণতন্ত্রে ফিরিয়ে এনেছেন এবং বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।”

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্মরণে বিএনপির এই সাবেক মহাসচিব বলেন, “বিএনপিকে একটি প্রকৃত গণমুখী ও শক্তিশালী রাজনৈতিক দলে পরিণত করার মূল কারিগর ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কখনোই দেশের ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করেননি। তাঁর কর্ম ও আদর্শ আমাদের সব সময় প্রেরণা জুগিয়ে যাবে।”

অনুষ্ঠানে বিএনপির রাষ্ট্রীয় ভিশন ও আগামী দিনের দিকনির্দেশনা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “আজ বিএনপি সরকার গঠন করেছে। এ অবস্থায় প্রতিটি দেশবাসীর প্রত্যাশা—খালেদা জিয়ার নীতি, তাঁর প্রস্তাবিত ‘ভিশন ২০৩০’ এবং পরবর্তীতে ঘোষিত দলের ‘৩১ দফা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাব। বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার স্মৃতি স্মরণে এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সদস্যসচিব মাওলানা আবুল হোসেইন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঞ্চালনায় উক্ত মিলাদ মাহফিলে দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন—গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাবিব উন নবী খান সোহেল ও শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, কাজী আবুল বাশার সহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী।