তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও খাল সংস্কারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে: রংপুর সিটি প্রশাসক
জয়নাল আবেদীনঃ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী ডন বলেছেন, তিস্তা নদী এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কখনো খরা, আবার কখনো বন্যার অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে আমাদের বঞ্চিত করায় প্রতিবছর শত শত একর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর টাউন হল মিলনায়তনে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আয়োজিত 'পরিবেশ সম্মেলনে' প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে 'তিস্তা মহাপরিকল্পনা' বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রকল্পটির বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নদী ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর।
রংপুর নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ রক্ষায় খাল সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে মাহফুজ উন-নবী বলেন, "ঐতিহ্যবাহী শ্যামাসুন্দরী খালের পাশাপাশি কেডি খাল ও ইছামতি খাল সংস্কারের জন্য ৬ মাস থেকে ২ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ শূন্য থাকলেও, অচিরেই সামর্থ্য অনুযায়ী সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।"
সংগঠনের রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথিরা উত্তরের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় শ্যামাসুন্দরী খালে প্রাণ ফেরাতে এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন কারিগরি ও পরিবেশগত সুপারিশ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর তুহিন ওয়াদুদ, অ্যাডভোকেট শিরিন এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শাশ্বত ভট্টাচার্য। বক্তারা পরিবেশ বিপর্যয় রোধে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
জয়নাল আবেদীনঃ রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী ডন বলেছেন, তিস্তা নদী এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কখনো খরা, আবার কখনো বন্যার অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে আমাদের বঞ্চিত করায় প্রতিবছর শত শত একর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হতে হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুর টাউন হল মিলনায়তনে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আয়োজিত ‘পরিবেশ সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসক তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই প্রকল্পটির বিষয়ে অত্যন্ত আন্তরিক। তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নদী ও পরিবেশ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর।
রংপুর নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ রক্ষায় খাল সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে মাহফুজ উন-নবী বলেন, “ঐতিহ্যবাহী শ্যামাসুন্দরী খালের পাশাপাশি কেডি খাল ও ইছামতি খাল সংস্কারের জন্য ৬ মাস থেকে ২ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ শূন্য থাকলেও, অচিরেই সামর্থ্য অনুযায়ী সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।”
সংগঠনের রংপুর বিভাগীয় সমন্বয়ক রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথিরা উত্তরের প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষায় শ্যামাসুন্দরী খালে প্রাণ ফেরাতে এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে বিভিন্ন কারিগরি ও পরিবেশগত সুপারিশ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডক্টর তুহিন ওয়াদুদ, অ্যাডভোকেট শিরিন এবং উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি শাশ্বত ভট্টাচার্য। বক্তারা পরিবেশ বিপর্যয় রোধে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।