এসইজেডএল উত্তরবঙ্গের জন্য শেখ হাসিনার আশির্বাদ : মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন

0
এসইজেডএল উত্তরবঙ্গের জন্য শেখ হাসিনার আশির্বাদ : মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন

মারুফা মির্জা: সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন লিমিটিডে (এসইজেডএল) উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও লাখ-লাখ বেকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার আশির্বাদ বলে মন্তব্য করে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, যমুনার কিনারে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও উদ্যোক্তাদের যেকোন ভারী শিল্প স্থাপনে যাবতীয় সকল সুবিধা নিয়ে গড়ে উঠছে বেসরকারী উদ্যোগে দেশের বৃহৎ সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন। শিল্পায়ন ও কর্মের সৃষ্টির এই বানিজ্যিক উন্নয়ন প্রকল্পকে আমি স্বাগত জানাই। উত্তরবঙ্গ সহ দেশের উন্নয়নে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রধানমন্ত্রীর যুগোপযোগী পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন ঘটাবে বলে আমি দৃঢ় ভাবে বিশ্বাস করি। এই জোন বাস্তবায়নের জন্য দেশের ১১টি শিল্পের কর্ণধার ব্যবসায়ীদেরও এজন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। তিনি বুধবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলার সয়দাবাদে প্রতিষ্ঠিত হতে চলা ‘সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন’ এর নির্মিত প্রকল্প কাজ পরিদর্শন কালে এসব কথা বলেন। মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, সবুজায়নের মাধ্যমে তৈরী সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনে উৎপাদিত পন্য সরবরাহে এখানে স্থল, জল ও রেলপথে যাতায়াত ব্যবস্থা থাকায় বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় সুবিধা। পরিবেশ বাদী হিসেবে আমি তাদের আরো ধন্যবাদ জানাই যে, তারা ১ হাজার ৪১ একরের এই প্রকল্পে ২০ ভাগ জায়গা বৃক্ষরাজি শোভার জন্য রেখেছে। তখন সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোনের প্রতিনিধিরা তাকে এ প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্তদের শুধু জায়গার ন্যায্য মুল্যই দেয়া হয়নি ৫০ একর জায়গা তাদের প্লট বুঝিয়ে দেয়া হবে বললে মেয়র লিটন সন্তষ্ট প্রকাশ করেন। তখন তিনি উপস্থিত সফর সঙ্গী, জেলা প্রশাসন সহ উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রকল্পে শিল্প গড়ে উঠলে ৫ লক্ষাধিক মানুষের ঘরের কাছেই কর্মের সৃষ্টি হবে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের আর কাজের সন্ধ্যানে রাজধানীতে ছুটতে হবেনা। শহরে রুপান্তর হবে লোকালয়। তাই সব মিলিয়ে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল আমাদের জন্য আশির্বাদ। আমি এরই আদলে রাজশাহীর পদ্মার পাড়ে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে একটি ইকোনমিক জোন করবো। যাতে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের উন্নত আধুনিক সোনার বাংলা গড়তে পারি। এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের অন্যতম উদ্যোক্তা পরিচালক ও জাবির সিনেটর শেখ মনোয়ার হোসেন জানান, প্রকল্প এলাকায় প্রায় ২৫ শতাংশ মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে। একই সাথে গ্যাস, বিদ্যুৎ, রাস্তা সহ অন্যান্য কাজও সমান তালে এগিয়ে চলছে। তাই এভাবে কর্মযজ্ঞ চলতে থাকলে আগামী ২০২২ সালের প্রথম দিকে দেশ-বিদেশের সব বড়-বড় শিল্প উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে কল-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে আমাদের স্বপ্নের ‘সিরাজগঞ্জ ইকোনমিক জোন লিমিটেড’ যাত্রা শুরু করবে। তিনি আরো জানান, ৩ হাজার ২শ কোটি টাকার সবুজায়নের এ মেগা প্রকল্পে ৪শ ভাড়ী শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠিত হলে মাসে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের পন্য সামগ্রী উৎপাদন হবে। ইতি মধ্যেই দেশ বিদেশের বিনিয়োগ কারীরা প্লট নেবার জন্য যোগাযোগ শুরু করেছে।