কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে হামলা, লুটপাট ও জমি দখলের অভিযোগ

0
কুয়াকাটায় রাতের আঁধারে হামলা, লুটপাট ও জমি দখলের অভিযোগ

কলাপাড়া প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় জমি দখল, বসতঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান গাজী।শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহিপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তিনি।

শাহজাহান গাজী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, বরিশালের বানারিপাড়া উপজেলার কুনদিহার গ্রামের বাসিন্দা খন্দকার মো. গোলাম হায়দার সেন্টু দীর্ঘদিন ধরে শাহজাহান গাজীর পৈতৃক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করে আসছেন।

তিনি জানান, পটুয়াখালীর মহিপুর থানার লতাচাপলী মৌজার (হাল মৌজা কুয়াকাটা পৌরসভা ৭ নং ওয়ার্ড) এসএ খতিয়ান নং ৪৮৫-এর অন্তর্ভুক্ত ৫৩৯২, ৫৩৯৩, ৫৩৯৪, ৫৩৯৫, ৫৩৯৬, ৫৪০২ ও ৫৪০৪ দাগের মোট ৬ একর ৮০ শতাংশ জমির মধ্যে ১ একর জমির মূল মালিক ছিলেন তার পিতা মৃত ইয়াকুব আলী গাজী‌‌। পিতার রহস্যজনক মৃত্যুর পর তিনি, তার এক ভাই ও পাঁচ বোন ওয়ারিশ সূত্রে জমিটির মালিকানা লাভ করেন।

তার অভিযোগ, জীবিকার কারণে বিভিন্ন স্থানে অবস্থানের সুযোগে অভিযুক্ত সেন্টু জোরপূর্বক জমি দখল করেন এবং একাধিকবার তাকে মারধর করেন। পরবর্তীতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হলে রায় তার পক্ষে আসে। এরপর উভয় পক্ষের সার্ভেয়ার ও থানা পুলিশের উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে ৮৮ শতাংশ জমি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ওই জমিতে তিনি বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সেন্টুর নেতৃত্বে তার ভাগিনা তুহিনসহ শতাধিক লোক তার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা পুরো ঘর ভাঙচুর করে এবং ভেকু মেশিন দিয়ে সবকিছু গুঁড়িয়ে দেয়। এ সময় ট্রাকে করে ঘরের ভাঙচুর করা কাঠ-টিন, ১৬৫ বস্তা সিমেন্ট, রড ও আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শাহজাহান গাজী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে নিরাপদে নিজ জমিতে বসবাসের নিশ্চয়তার দাবি করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত খন্দকার মো. গোলাম হায়দার সেন্টুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

এ সময় মহিপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাবিবুল্লাহ খান রাব্বী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল ওহাব হাওলাদার, অর্থ সম্পাদক এম পলাশ সরকারসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।